জেনে নিন কিভাবে কিবোর্ড দিয়ে SYMBOLS টাইপ করবেন।

অাজকের বিষয় কিভাবে কিবোর্ড দিয়ে SYMBOLS টাইপ করবেন। তো চলুন শুরু করা যাক।




প্রথমে <Alt> বাটন চেপে ধরে বাখুন  ,তারপর নাম্বার চাপুন 
Alt 0128 Euro currency symbol
Alt 0195 Ã A tilde
Alt 0131 ƒ Florin, Guilder or Gulden
Alt 0196
Alt 142
Ä A umlaut
Alt 0132 Base line double quote
Alt 0197
Alt 143
Å A ring
Alt 0133 Ellipsis
Alt 0198
Alt 146
Æ AE ligature
Alt 0134 Dagger
Alt 0199
Alt 128
Ç C cedilla
Alt 0135 Double Dagger
Alt 0200 È E grave
Alt 0136 ˆ Circumflex
Alt 0201
Alt 144
É E acute
Alt 0137 Permille
Alt 0202 Ê E circumflex
Alt 0138 Š S caron (hacek)
Alt 0203 Ë E umlaut
Alt 0139 Left single guillemet
Alt 0204  Ì I grave
Alt 0140 Œ OE ligature
Alt 0205 Í I acute
Alt 0142 Ž Z caron (hacek)
Alt 0206 Î I circumflex
Alt 0145 Left single quote
Alt 0207 Ï I umlaut
Alt 0146 Right single quote
Alt 0208 Ð Capital Eth
Alt 0147 Left double quote
Alt 0209
Alt 165
Ñ N tilde
Alt 0148 Right double quote
Alt 0210 Ò O grave
Alt 0149 Bullet
Alt 0211 Ó O acute
Alt 0150 En dash
Alt 0212 Ô O circumflex
Alt 0151 Em dash
Alt 0213 Õ O tilde
Alt 0152 ˜ Tilde
Alt 0214
Alt 153
Ö O umlaut
Alt 0153 Trademark
Alt 0215 × Multiply sign
Alt 0154 š s caron (hacek)
Alt 0216 Ø O slash
Alt 0155 Right single guillemet
Alt 0217 Ù U grave
Alt 0156 œ oe ligature
Alt 0218 Ú U acute
Alt 0158 ž z caron
Alt 0219 Û U circumflex
Alt 0159 Ÿ Y umlaut
Alt 0220
Alt 154
Ü U umlaut
Alt 0161
Alt 173
¡ Inverted exclamation
Alt 0222 Þ Capital thorn
Alt 0162
Alt 155
¢ Cent
Alt 0223
Alt 225
ß Esszet
(sz ligature)
(sharp “s”)
Alt 0163
Alt 156
£ Pound sterling
Alt 0224
Alt 133
à a grave
Alt 0164 ¤ Currency
Alt 0225
Alt 160
á a acute
Alt 0165
Alt 157
¥ Yen
Alt 0226
Alt 131
â a circumflex
Alt 0166 ¦ Broken vertical bar
Alt 0227 ã a tilde
Alt 0167 § Section sign
Alt 0228
Alt 132
ä a umlaut
Alt 0168 ¨ Umlaut (dieresis)
Alt 0229
Alt 134
å a ring
Alt 0169 © Copyright
Alt 0230
Alt 145
æ ae ligature
Alt 0170
Alt 166
ª Feminine ordinal
Alt 0231
Alt 135
ç c cedilla
Alt 0171
Alt 174
« Left guillemet
Alt 0232
Alt 138
è e grave
Alt 0172
Alt 170
¬ Logical Not sign
Alt 0233
Alt 130
é e acute
Alt 0173
Soft hyphen (html: &shy;)
Alt 0234
Alt 136
ê e circumflex
Alt 0174 ® Registered trademark
Alt 0235
Alt 137
ë e umlaut
Alt 0175 ¯ Macron
Alt 0236
Alt 141
ì i grave
Alt 0176
Alt 248
° Degree sign
Alt 0237
Alt 161
í i acute
Alt 0177
Alt 241
± Plus or minus
Alt 0238
Alt 140
î i circumflex
Alt 0178
Alt 253
² Superscript 2
Alt 0239
Alt 139
ï i umlaut
Alt 0179 ³ Superscript 3
Alt 0240 ð Small Eth
Alt 0180 ´ Acute accent
Alt 0241
Alt 164
ñ n tilde
Alt 0181
Alt 230
µ Mu or micro
Alt 0242
Alt 149
ò o grave
Alt 0182 Paragraph (pilcrow)
Alt 0243
Alt 162
ó o acute
Alt 0183
Alt 250
· Middle dot
Alt 0244
Alt 147
ô o circumflex
Alt 0184 ¸ Cedilla mark
Alt 0245 õ o tilde
Alt 0185 ¹ Superscript 1
Alt 0246
Alt 148
ö o umlaut
Alt 0186
Alt 167
º Masculine ordinal
Alt 0247
Alt 246
÷ Division sign
Alt 0187
Alt 175
» Right guillemet
Alt 0248 ø o slash
Alt 0188
Alt 172
¼ One quarter
Alt 0249
Alt 151
ù u grave
Alt 0189
Alt 171
½ One half
Alt 0250
Alt 163
ú u acute
Alt 0190 ¾ Three quarters
Alt 0251
Alt 150
û u circumflex
Alt 0191
Alt 168
¿ Inverted question mark
Alt 0252
Alt 129
ü u umlaut
Alt 0192 À A grave
Alt 0253 ý y acute
Alt 0193 Á A acute
Alt 0254 þ Lower case thorn
Alt 0194 Â A circumflex
Alt 0255
Alt 152
ÿ y umlaut

ইউএসবি পোর্টে তালা মারুন, আপনার ইচ্ছানুযায়ী খুলুন ও বন্ধ করুন!!



বন্ধুরা আমাদের কম্পিউটারে কত কিছুই না জমা থাকে ভাল মন্দ মিশিয়ে তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার আপনি কিন্তু বয়ে নিয়ে বেড়ান। তথ্যের এই বিশাল ভাণ্ডারে সহসাই কেউ যেন হানা দিয়ে কোন কিছু আপনার অজান্তে নিয়ে যেতে না পারে তার জন্য নিয়ে এলাম সুন্দর এক সফট যার নাম USBDisabler হা বন্ধুরা আপনার কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্টকে অন্য কেউ যেন ব্যবহার করতে না পারে তার জন্য এই ব্যবস্থা। যা হবে আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী হবে। এই জন্য প্রথমেই আপনাকে ডাউনলোড করে নিতে হবে USBDisabler কে এক্সট্রাক্ট করুন এবং USBDisabler তে ক্লিক দিয়ে সফটটি চালু করুন। মনে রাখবেন এটি আপনি এমন এক ড্রাইভ থেকে করুন যেখানে সহজেই কারো নজর যেন না পড়ে। USBDisabler এ ক্লিক দিলে নিচের চিত্রের মত আসবে————


এখানে আপনি যা করবেন————
১. এখানে Normal,Read Only ও Disable অপশন পাবেন, এখানে যা করতে চান তা সিলেক্ট করে নিন।
২. এখানে ক্লিক দিয়ে তা একটিভ করে নিন।

দেখুন এবার আপনার ইউএসবি পোর্টে কেউ পেন ড্রাইভ বা মেমোরি প্রবেশ করিয়ে কিছুই দেখতে পাবেনা যদি আপনি ইউএসবি পোর্টকে Disable করে রাখেন। পুনরায় সবকিছু আগের মত চাইলে Normal এ ক্লিক দিয়ে একটিভ করুন সবকিছু নরমাল হয়ে যাবে। তাহলে বন্ধুরা উপভোগ করুন USBDisabler কে এবং আনন্দে থাকুন।

ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

মাউজের কারসার পয়েন্ট ছোট মনে হলে, নিয়ে নিন পয়েন্টার স্টিক

বন্ধুরা প্রেজন্টেশন বা কোন প্রশিক্ষন চলাকালে মাউজ পয়েন্টার ছোট হলে বাধ্য হয়ে উঠে গিয়ে আলাদা স্টিক দিয়ে তা দেখিয়ে দিতে হয়। এতে করে সময় অপচয় হয়। আজ সেই সময় বা বিরক্তকর কাজ থেকে মুক্তি দেয়ার উদ্দ্যেশ্যে আপনাদের সামনে নিয়ে এলাম PointerStick নামের ছোট একটি ফ্রি সফট। যা দিয়ে আপনি প্রেজেন্টেশন বা প্রশিক্ষনে মাউজ পয়েন্টার কে পয়েন্টার স্টিক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে ডাউনলোড করে নিন। ৩২ বিট ও ৬৪ বিটের জন্য আলাদা আলাদা ডাউনলোড লিংক দেয়া আছে। ইন্সটল করার কোন প্রয়োজন নেই। শুধু জিপ ফাইলকে এক্সট্রাক্ট করুন এবং তাতে ডাবল ক্লিক দিন নিচের চিত্রের মত পেয়ে যাবেন———






এখানে আপনার সুবিধা মোতাবেক সাইজ,কালার নিতে পারেন এবং স্টিক হাইড করে নেয়ার সুবিধাও রয়েছে। প্রয়োজনে সিস্টেম ট্রে থেকে একে সরিয়েও দিতে পারেন। এটি প্রায় সব ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে চলবে।




 

ভিডিও তে লোগো , টেক্সট ইত্যাদি যুক্ত করুন ৮ এমবির ছোট্ট একটি সফটওয়্যার দিয়ে !!




সফটওয়্যারটি ছোট্ট হলেও এর কাজ কিন্তু দারুন । সফটওয়্যার নাম iWisoft Free Video Converter বুঝতেই পারছেন এটা দিয়ে ভিডিও কনভার্ট ও করতে পারবেন । যাই হোক আসল কথাই আসা যাক এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি আপনার যেকোনো ভিডিও তে খুব সহজে লোগো , বিভিন্ন স্টাইলের টেক্সট যুক্ত করতে পারবেন । সফটওয়্যার সাইজ মাত্র ৮ এমবি তাহলে দেরি করে লাভ কি নিচে থেকে দেখে নিন কিভাবে কি করবেন ।


নিচে থেকে আপনার পছন্দ মত লিঙ্ক থেকে ফ্রী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন এবং সহজে ইন্সটল করে নিন কোন রকম সিরিয়াল কী লাগবে না ।
or
অফিসিয়াল সাইট থেকে ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিঙ্কে যান
 

সফটওয়্যারটি কিভাবে ব্যবহার করবেন?


প্রথমে সফটওয়্যারটি সাধারন ভাবেই ইন্সটল করুন ।
এবার Add বাটনে ক্লিক করে একটি ভিডিও সিলেক্ট করুন ।
তার পাশ থেকে Edit বাটনে ক্লিক করুন । নিচের ফটো দেখুন ।


 
 এবার নিচে দেখুন Logo বাটন আছে তাতে ক্লিক করুন । নিচের চিত্রে দেখুন ।


এবার Browse এ ক্লিক করে আপনি যে লোগো দিতে চান সেটা সিলেক্ট করুন । উপরের ফোটতে দেখুন ।
ব্যাস হয়েগেল দেখলেন তো কত সোজা আপনি এই ভাবেই চাইলে লোগো না দিয়ে টেক্সট দিতে পারেন চাইলে ইফেক্ট দিতে পারেন ভিডিও কে উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন । নিচের চিত্রে দেখুন ।

সবা কাজ হয়েগেলে OK তে ক্লিক করুন এবং বড় START বাটনে ক্লিক করুন তার আগে আপনি সিলেক্ট করে নিবেন ভিডিও টা কেমন রাখবেন ভাল কোন ফরম্যাট এ সেভ করবেন ।

Unselect Desktop icon


It sounds like The icons are highlighted, because somehow they are locked on your desktop
give the following procedure a go :










1)Right-click on your Desktop
2) Select 'Properties'
3) Click 'Desktop' tab
4) Click 'Customize Desktop'
4) Click 'Web' tab
5) Uncheck box for 'Lock desktop items'
6) Click 'OK'
7)Click 'OK' again




Network Share অথবা খুব সহজেই দুটি কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা শেয়ার করুন * প্রতি সেকেন্ডে 100 মেগাবাইট গতিতে *

নিচের এই পোষ্টটি পড়ে আপনি যে যে  বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠবেন:

১. কিভাবে দুটি পিসির মধ্যে সফটওয়্যার ছাড়া নেটওয়ার্ক তৈরী করা যায়?
২. ইথারনেট ক্যাবল কি?
৩. ক্রসওভার (CROSSOVER CABLE) ক্যাবল কি? কিভাবে তৈরী করা হয়?
৪.  কিভাবে আইপি এড্রেস সেট করতে হয়।
৫.  কিভাবে প্রিন্টার শেয়ার করতে হয়। অর্থাৎ একটি প্রিন্টার দিয়ে একের অধিক কম্পিউটার থেকে কিভাবে প্রিন্ট করা যায়।
৬.  কিভাবে পুরাতন কম্পিউটারের সকল ডাটা নতুন কম্পিউটারে শিফট করবেন।
৭.  কিভাবে পেনড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ ছাড়াই শুধুমাত্র একটি ক্যাবল এর মাধ্যমে দুটি কম্পিউটারের মধ্যে গান, ভিডিও সহ যেকোন ফাইল আদান-প্রদান করবেন।


আমরা অনেকেই নতুন পিসি বা ল্যাপটপ কেনার পর পুরাতন হোম পিসি থেকে ছবি, গান, ভিডিও ইত্যাদি ফাইল সমুহ ট্রান্সফার করার জন্য সাধারনত পেন ড্রাইভ, পোর্টেবল হার্ডড্রাইভ বা ডিভিডিতে বার্ন করে ডাটা ট্রান্সফার করে থাকি। এটি একটি খুবই সিম্পল কপি-পেষ্ট এর কাজ এবং আমি মনে করি না এর জন্য আমাদের এত সময়, পেন ড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ডড্রাইভ কেনার জন্য টাকা খরচ করার কোন দরকার আছে। একটি অতি সহজ এবং দ্রুত পদ্ধতি আছে যার মাধ্যমে খুবই সহজে এই দুই কম্পিউটার এর মধ্যে ডাটা, প্রিন্টার, ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক গেমস ইত্যাদি শেয়ার করা যায়। আজকাল শেয়ার শব্দটি ইন্টারনেট জগতে সবারই খুব পরিচিত একটি শব্দ। তাহলে কেন নিজের কম্পিউটারে এই শেয়ার শব্দটি ব্যবহার করবো না????

নিচে আমি যে পদ্ধতি দেখাবো তার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই দুটি পিসির মধ্যে ডাটা শেয়ারিং করতে পারবেন। আমার দেখানো এই নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে আপনি ডাটা, প্রিন্টার, ইন্টারনেট, গেমস ইত্যাদি শেয়ার করতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে আপনার কোন হাব, সুইচ বা রাউটার এর প্রয়োজন হবে না। শুধুমাত্র একটি ক্রসওভার ক্যাবল হলেই চলবে।

খেয়াল করুন, আপনি এর মাধ্যমে দুটি ডেক্সটপ/ল্যাপটপ বা একটি ল্যাপটপ ও একটি ডেক্সটপ এর মধ্যে ডাটা শেয়ারিং তৈরী করতে পারবেন যদিও তাতে একই অপারেটিং বা ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা থাকলেও, ফাইল শেয়ারিং করতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:
স্কুল কলেজে যে রকম পড়ে এসেছেন যে, রসায়ন বিদ্যা বা পদার্থ বিদ্যা এর কোন পরীক্ষা করার সময় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দরকার হয়। তেমনি এই পোষ্টটি যদি কার্যকরণ করতে চান, তাহলে নিচে উল্লেখিত যন্ত্রপাতি দরকার হবে।

১. দুইটি কম্পিউটার – হতে পারে তা ‍দুটি ডেক্সটপ / দুটি ল্যাপটপ / একটি ল্যাপটপ এবং একটি ডেক্সটপ ।
২. একটি ইথারনেট ক্রসওভার কেবল:  ক্রস ওভার ক্যাবল, দুটি পিসি কে হাব, সুইচ বা রাউটার ব্যতিত সরাসরি সংযোগ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। একটু খেয়াল করুন, সাধারনত ইথারনেট ক্যাবল গুলোর (যাকে আমরা ল্যান ক্যাবল ও বলে থাকি) দুটি মাথায়, তার গুলো একই ভাবে সাজানো থাকে অর্থাৎ তাদের দুটি মাথায়ই তারের রং গুলি মিল থাকে। নিচের ছবিতে দেখানো তারের নম্বর এর দিকে খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন।





 কিন্তু ক্রসওভার কেবলে সর্বমোট তার থাকবে চারটি যার প্রথম এবং তৃতীয় তার ( বা দিক হতে ডানদিকে গুনে ) এবং দ্বিতীয় এবং ষষ্ঠ নং তার ক্রস করা থাকে। অর্থাৎ এর এক মাথার প্রথম তার অপর মাথার তৃতীয় তারে সংযুক্তি হবে এবং অপর মাথার প্রথম তার এই মাথার তৃতীয় তারের সাথে সংযুক্তি হবে। ছবিটি খেয়াল করুন । নম্বর দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে দেখাতে চেষ্টা করেছি।



কোথায় পাবেন: যেকোন কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে বলবেন যে, আমাকে এক বা দু মিটার ক্রসওভার ইথারনেট ক্যাবল দিন বা বানিয়ে দিন যাতে আমি দুটি পিসির মধ্যে কোন সুইচ, হাব বা রাউটার বাদেই ডাটা শেয়ার করতে পারি। তারা সেই ক্যাবল বানিয়ে দিলে, আপনি হাতে নিয়ে তারের লেআউট দেখলেই বুঝতে পারবেন, যা আমি উপরে ছবি সহ বলেছি। দারুন তাই না ! :)
৩. নেটওয়ার্ক এ্যাডাপ্টার:  দুটি পিসিতেই নেটওয়ার্ক এ্যাডাপ্টার থাকতে হবে। বর্তমানের কম্পিউটার গুলোর মাদারবোর্ডে বিল্টইন নেটওয়ার্ক কার্ড থাকে। তাই যাদের আছে তাদের আর আলাদা নেটওয়ার্ক কার্ড কিনতে হবে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মাদারবোর্ডের সিডি বা নেটওয়ার্ক কার্ডের ড্রাইভার পিসিতে সঠিক ভাবে ইন্সটল করা থাকে।

কিভাবে দুটি কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবেন:
এটি একটি বড় পোষ্ট। আমি বিস্তারিত ভাবে লেখার চেষ্টা করেছি। যাতে যেকেহ আমার পোষ্ট পড়ে খুব সহজেই বিষয়গুলো বুঝতে পারে। আপনার হতে যদি পড়ার মত প্রয়োজনীয় সময় না থাকে, তাহলে পরে, সময় নিয়ে পড়ুন।

আবার পোষ্ট এর বিষয়ে ফিরে আসি।  কিভাবে দুটি কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবেন এটাই হলো আসল কাজ। শুনতে সহজ মনে হলেও দুটি পিসিতে এই সংযোগ তৈরী করা কিন্তু এত সহজ নয়। এর জন্য দুটি পিসিতেই আইপি কনফিগারেশনের একটা ব্যাপার আছে। তো চলুন দেখি নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে, কিভাবে দুটি পিসি একে অপরের সাথে কথা বলাতে পারবো….

১. দুটি পিসির ইথারনেট পোর্টে ক্রসওভার ক্যাবল এর এক মাথা করে প্লাগইন করার মাধ্যমে সংযুক্ত করুন। ছবি দেখুন:

প্রথম কম্পিউটার



দ্বিতীয় কম্পিউটার

২. এখন দুটি পিসির নেটওয়ার্ক সেটআপ করবো। এক্সপিতে Start > Connect to > Show all connection এ গিয়ে Local area connection এ মাউস এর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান।



এখন Internet protocol (TCP/IP) তে ডাবল ক্লিক করুন। এর প্রোপার্টিজ আসবে। General ট্যাবের অন্তর্ভুক্ত Use the following IP address: এ ক্লিক করুন। তারপর IP address এর যায়গায়  192.168.1.1 ( 192.168.1.2 ‍দ্বিতীয় পিসির জন্য ) লিখুন। এখন Subnet mask এর ঘরে 25.255.255.0 ( দুটি পিসির জন্য একই ) বসান। এরপর Default gateway এর ঘরে অপর পিসির আইপি এড্রেস বসান। এর পর Ok প্রেস করুন।
উইন্ডোস সেভেনে আইপি এড্রেস পরিবর্তন করার জন্য ক্লিক করুন Start->Connect to->View network computers and devices->Network and sharing center. Select Manage Network Connections, press properties button under Local Area Connection. Select Internet Protocol version4(TCP/Ip4) and press properties button. এখন The internet Protocol (TCP/IP) এর প্রোপার্টিজ এর ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে উপরের দেখানো এক্সপি এর নিয়মে আইপি এড্রেস লিখুন। ছবি দেখুন:



একটু সহজ করে দেই । প্রথম পিসির আইপি এড্রেস নিম্নরুপ:
IP address: 192.168.1.1
Subnet mask: 255.255.255.0
Default gateway: 192.168.1.2 (এটা ২য় কম্পিউটারের IP Address)

দ্বিতীয় পিসির আইপি এ্যাড্রেস নিম্নরুপ:
IP address: 192.168.1.2
Subnet mask: 255.255.255.0
Default gateway: 192.168.1.1 (এটা প্রথম কম্পিউটারের IP Address)




৩. এখন লোকাল নেটওয়ার্কের জন্য একটি ওয়ার্ক গ্রুপ তৈরী করবো। my computer এ মাউসের রাইট ক্লিক করুন। এখন properties সিলেক্ট করুন। দেখুন সেখানে Computer Name নামে একটি ট্যাব আছে। সেখান হতে কম্পিউটারের নাম ও ওয়ার্কগ্রুপের নাম পরিবর্তন করুন। ( নোট: কম্পিউটারের নাম দুই পিসির জন্য আলাদা আলাদা দিতে হবে কিন্তু ওয়ার্কগ্রুপের নাম দুটি পিসিতেই একদম একই দিতে হবে । )

 ৪. Ok প্রেস করুন এবং দুটি পিসিই রিস্টার্ট দিন।

৫. এখন আপনার হোম নেটওয়ার্ক, ট্রান্সফার ফাইল, প্রিন্টার শেয়ার এবং সর্বোপরি নেটওয়ার্ক গেমস খেলার জন্য সম্পুর্ণ প্রস্তুত।এখন এই ক্রসওভার ক্যাবল দিয়ে দুই কম্পিউটার কানেক্ট করার দরুন, দেখবেন নেটওয়ার্কের জায়গায় অন্য কম্পিউটার দেখা যাচ্ছে । ছবি দেখুন:


একটা কাজ কিন্তু এখনও বাকি আছে। এখন মাত্র আপনার পিসি দুটি, ফাইল শেয়ারিং এর জন্য তৈরী। পরের কাজ গুলি মনযোগ দিয়ে করুন।
এখন মনযোগ দিন। ডাটা শেয়ারিং করার জন্য, অর্থাৎ যে কম্পিউটারের ডাটা, অপর পিসিতে শেয়ার করতে চান, সেই ফোল্ডার বা ড্রাইভে রাইট ক্লিক করুন। এরপর প্রোপার্টিজ এ গিয়ে শেয়ারিং সিলেক্ট করুন। তারপর If you understand the risk but still want to share the root of the drive, click here এ ক্লিক করুন ( যেকোন ড্রাইভের ক্ষেত্রে )। আর ফোল্ডারের ক্ষেত্রে শেয়ারিং সিলেক্ট করার পর Network sharing and security এর অধীনে Share this folder on the network এ ক্লিক করে চেক মার্ক দিন। Allow network users to change my files এও চেক মার্ক দিতে পারেন।
এর পর Apply এ ক্লিক করুন। এখানে একটি সতর্কবার্তা আসতে পারে যদি আপনার ড্রাইভ বা ফোল্ডারের নাম ১২ ক্যারেক্টারের বেশি হয়। তাই চেষ্টা করবেন যে ড্রাইভ বা ফোল্ডার শেয়ার করবেন তার নাম যেন ১২ ক্যারেক্টারের মধ্যেই হয়। এর পর ok প্রেস করুন। দেখবেন যে ড্রাইভ বা ফোল্ডারের আইকনের নিচে একটি হাত এর ছবি আসবে। তার মানে হলো এই ড্রাইভ বা ফোল্ডারের ডাটা শেয়ার করা সম্ভব। ছবি দেখুন:



আর উইন্ডোস সেভেনের জন্য : ধরুন আপনি Local disk( E )  ড্রাইভটি শেয়ার করবেন।
My computer থেকে Local disk( E ) এ রাইট ক্লিক করুন। এর পর পোপার্টিজ এ ক্লিক করুন। ছবি দেখুন:


 Security Tab এ ক্লিক করুন। এর পর Edit এ ক্লিক করুন। ছবি দেখুন:


এরপর Add এ ক্লিক করুন। Enter the object names এ লিখুন Everyone,
এরপর ওকে করে বেড়িয়ে আসুন।
এখন পোপার্টিজ হতে Sharing tab এ যান।


 Advance Sharing এ ক্লিক করুন।


Share this folder সিলেক্ট করুন। তারপর ওকে করে, ক্লোজ করে বেড়িয়ে আসুন।

এবার অপর কম্পিউটারে গিয়ে My computer > Network এ যান। প্রথম পিসিতে প্রবেশ করলে আপনি Local Disk (E) দেখতে পারবেন। ছবি দেখুন:



কিভাবে প্রিন্টার শেয়ার করবেন:  প্রিন্টার শেয়ার হলো আপনি এক পিসিতে বসে প্রিন্ট কমান্ড দিবেন, যা প্রিন্ট হবে একই নেটওয়ার্কের অন্তর্গত অপর পিসিতে লাগানো প্রিন্টার থেকে। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হল, যে পিসিতে প্রিন্টার আছে তার সেই পিসি হতে প্রিন্টারে মাউজের রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান। Sharing নামে এটি ট্যাব পাবেন। তাতে ক্লিক করুন। সেখানে এরকম একটি লাইন পাবেন।
If you understand the security risks but want to share printers without running the wizard, click here.
এই লাইনে ক্লিক করুন এবং পরের ধাপগুলো পড়ে পড়ে প্রিন্টার শেয়ার করে দিন। এখানে Ok ও Next এ ক্লিক করতে করতে আপনি একটা যায়গায় Workgroup এর নাম বসানোর একটা ঘর পাবেন। সেখানে অবশ্যই একই নাম দিবেন (উপরের ৩ নং পয়েন্টটি খেয়াল করুন) ।এখানে বর্ণনাটা বিস্তারিত দিলাম না। কারন প্রিন্টার সবার নাও থাকতে পারে।

উপরের যে নিয়ম দিলাম তার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি দুটি পিসির মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবার আপনাদের একটা গোপন ট্রিকস জানাবো। অনেকেই আপনারা বিভিন্ন ভাবে এই ডাটা শেয়ারিং সম্পর্কে জানতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেক টিপস এর একটি গোপন ট্রিকস থাকে। এই পোষ্টেরও একটি গোপন ট্রিকস আছে। তা হল এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দুটি এক্সপি চালিত পিসির মধ্যে সহজেই ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন। কিন্তু যদি একটি এক্সপি এবং একটি উইন্ডোস সেভেন বা দুটি সেভেন চালিত পিসি ব্যবহার করেন তাহলে আপনাকে বারতি একটি কাজ করতে হবে। তা হল, আপনার উইন্ডোস সেভেন চালিত কম্পিউটারে ইউজার একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। এর জন্য কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেলে যাবেন। তারপর User Account এ যাবেন। তারপর আপনি যে একাউন্টে এখন পিসিটি রান করছেন অর্থাৎ পিসিটি যে নাম দিয়েছেন তাতে ক্লিক করবেন। সেখানে Create a Password অপশনে ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দিবেন। মনে করেন আপনি একটি এক্সপি ও একটি সেভেন চালিত পিসিতে ক্রসওভার ক্যাবল এর মাধ্যমে ডাটা শেয়ার করেছেন। তাহলে সেভেন চালিত পিসিতে ইউজার একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিবেন। এখন খেয়াল করুন, মনে করুন এক্সপি এ আইপি বসিয়েছেন 192.168.1.1 এবং সেভেন চালিত পিসিতে আইপি দিয়েছেন 192.168.1.2
এখন উইন্ডোস সেভেন চালিত পিসিতে Run এ গিয়ে লিখুন: 192.168.1.1 (যা এক্সপি চালিত পিসির আই পি) এরপর এন্টার দিন। ছবি দেখুন। এখানে একটি বিষয় খেয়ার করুন। আমি কিন্তু উল্টো স্লাশ দিয়ে আইপি এ্যাড্রেস লিখেছি। ভাল করে দেখুন



এই কাজটি করার পর আপনি ঐ উইন্ডোস সেভেন চালিত পিসি হতে এক্সপি চালিত পিসিতে প্রবেশ করতে পারবেন। এখন এক্সপি চালিত পিসির যেসকল ড্রাইভ বা ফোল্ডার আপনি আগেই শেয়ার করেছেন তাতে আপনি প্রবেশ করতে পারবেন, কপি বা কাট করে আপনার উইন্ডোস সেভেন চালিত পিসিতে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

একই পদ্ধতিতে, এক্সপি চালিত পিসির রান কমান্ডে লিখুন: 192.168.1.2 (যা উইন্ডোস সেভেন চালিত পিসির আই পি এড্রেস) এখন এক্সপি হতে সেভেন এর পিসিতে প্রবেশ এর সময় ইউজার একাউন্ট এর নাম এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। সঠিক নাম ও পাসওয়ার্ড দিন। ওকে করার পর আপনি সেভেন অপারেটিং চালিত পিসিতে প্রবেশ করতে পারবেন। এবং আগে থেকেই সেভেন চালিত পিসির যেসকল ড্রাইভ বা ফোল্ডার শেয়ার করে রেখেছিলেন তাতে প্রবেশ, কপি বা কাট করে আপনার এক্সপি চালিত পিসিতে নিয়ে আসতে পারবেন।
এই পাসওয়ার্ড এর ট্রিকস টাই এ পোষ্টের গোপন ট্রিকস। অনেকেই আপনারা ডাটা শেয়ারিং জেনে থাকতে পারেন। কিন্তু এই পাসওয়ার্ড না দেবার কারনে শেয়ারিং পুরোপুরি ভাবে করতে পারেন নাই। এবার নিশ্চয়ই ডাটা শেয়ারিং বা নেটওয়ার্ক বা প্রিন্টার শেয়ারিং ইত্যাদি করতে পারবেন। তাই না!!!!!!!! ওহ আরেকটি জিনিষ প্রিন্টার শেয়ার করতে চাইলে প্রথমে যে পিসির সাথে প্রিন্টার লাগানো আছে সেই পিসি হতে প্রিন্টার এর পোপার্টিজ এর গিয়ে প্রিন্টার শেয়ার করে দিবেন। তারপর যে পিসির সাথে পিন্টার এর সংযোগ নেই, সেই পিসির রান কমান্ডে গিয়ে অপর পিসির আইপি এ্যাড্রেস লিখবেন (অবশ্যই উপরের নিয়মে রান কমান্ডে আইপি এ্যাড্রেস লিখবেন) তারপর এন্টার দিন। এখন দেখবেন প্রিন্টার দেখা যাচ্ছে। এর পর প্রিন্টার এ মাউজের রাইট ক্লিক করুন। এবং Connect এর ক্লিক করুন। কোন ম্যাসেজ আসলে ওকে করুন। আপনার প্রিন্টার শেয়ার হয়ে গেল। এখন যেকোন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড খুলে, প্রিন্টারটি দেখিয়ে একটি প্রিন্ট দিয়েই দেখুন::::::::::


windows - run এর যত রকম ব্যাবহার

আমরা অনেকেই কম্পিউটার ব্যাবহার করি। কিন্তু run এর অনেক ব্যাবহারই আমরা জানি না। জেনে নিন কিছু দরকারি run কমান্ড এর তথ্য।
 
একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl

একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz

এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl

এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl

এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools

অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl

ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt

ক্যালকুলেটর – calc

সার্টিফিকেটস – certmgr.msc

ক্যারেকটার ম্যাপ – charmap

চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk

ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার – clipbrd

কমান্ড প্রোম্পট – cmd

কম্পোনেন্ট সার্ভিস – dcomcnfg

কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc

কন্ট্রোল প্যানেল – control

ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2

ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl

ডি.ডি.ই শেয়ার্স – ddeshare

ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc

ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag

ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr

ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc

ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc

ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – desk.cpl

ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ – drwtsn32

ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier

ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc

ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল – migwiz

ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল – sigverif

ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl

ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders

ফন্টস – control fonts

ফন্টস ফোল্ডার – fonts

গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl

গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc

হেল্প এন্ড সাপোর্ট – helpctr

হাইপারটার্মিনাল – hypertrm

আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress

ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc

ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড – icwconn1

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore

ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl

কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard

লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc

লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস – lusrmgr.msc

উইন্ডোজ লগঅফ – logoff

মাইক্রোসফট চ্যাট – winchat

মাইক্রোসফট মুভি মেকার – moviemk

এমএস পেইন্ট – mspaint

মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল – mobsync

মাউস প্রোপার্টিস -control mouse

মাউস প্রোপার্টিস – main.cpl

নেট মিটিং – conf

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – ncpa.cpl

নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl

নোটপ্যাড – notepad

অবজেক্ট পেজ মেকার – packager

ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl

অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk

আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn

এমএস পেইন্ট – pbrush

পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon

ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl

ফোন ডায়ালার – dialer

পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl

প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers

প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers

রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32

রিমোট একসেস ফোনবুক – rasphone

রিমোট ডেক্সটপ – mstsc

রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc

রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc

রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি – rsop.msc

স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl

শিডিউল টাস্ক – control schedtasks

সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl

সার্ভিসেস – services.msc

শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc

উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা – shutdown

সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl

সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit

সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig

সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32

সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl

টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr

টিসিপি টেষ্টার – tcptest

টেলনেট ক্লাইন্ট – telnet

ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার – nusrmgr.cpl

ইউটিলিটি ম্যানেজার – utilman

উইন্ডোজ এড্রেস বুক – wab

উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি – wabmig

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার – explorer

উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল – firewall.cpl

উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify

উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc

উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer

উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার – msmsgs

উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস – syskey

আপডেট লাঞ্চ – wupdmgr

উইন্ডোজ ভার্সন – winver

উইন্ডোজ এক্সপি টুর – tourstart

ওয়ার্ড প্যাড – write

লোগো তৈরি করার মূল্যবান একটি প্রফেশনাল সফটওয়্যার ফুল ভার্শন!

আজ আপনাদের জন্য নিয়া আসলাম ৩০$ দামের studio-v5 লোগো তৈরির সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারে রয়েছে প্রায় ৩ হাজারটি লোগো ডিজাইন । আরও আছে থ্রি ডি এফেক্ট , এনিমেশন এফেক্ট ইত্যাদি । এবং লোগো গুলো কে PDF, JPG, TIF, GIF, ফ্লাশে কনভার্ট করতে পারবেন । তাই দেড়ি না করে এখনি ডাউনলোড করুন -_-


Download Link

সিরিয়াল নং  3283556526-1822422171-1624787163

 


জেনে নিন কি ভাবে আপনার পিসির ওয়েলকাম স্ক্রীন পরিবর্তন করবেন…….

সবাইকে আমার সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্ট সুরু করতে যাচ্ছি। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে কি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো নাম দেখেই বুঝে গেছেন। আমরা যারা পিসি চালাই তাদের বেশির ভাগ মানুষেই উইন্ডোজ চালাই।
তাই সবাই এই উইন্ডোজ এর সাথে ভালো ভাবে পরিচিত। আমাদের পিসি যখন ওপেন করি তখন উইন্ডোজ এর ডিফল্ট টেক্সট দেখতে পাই ওয়েলকাম। আপনি চাইলে এটি পরিবর্তন করে আপনার নাম বা যেকোনো কিছু দিতে পারেন। কি করে পরিবর্তন করবেন আজকে সেটাই নিয়ে আলোচনা করবো।
প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রান এ জান। এরপর Regedit টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন।
এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন। এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন।
এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম ও ফজিলত ।

আরবি ‘তাহাজ্জুদ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ রাত জাগরণ বা নিদ্রা ত্যাগ করে রাতে নামাজ পড়া। শরিয়তের পরিভাষায় রাত দ্বিপ্রহরের পর ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে নামাজ আদায় করা হয় তা-ই ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ। বছরের অন্যান্য সময়ের মতো রমজান মাসে তাহাজ্জুদ নামাজের ব্যাপারে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। তাহাজ্জুদ নামাজ যেকোনো সময়ই অত্যধিক ফজিলতের কারণ। রমজান মাসে এর সুফল বহুগুণ বেড়ে যায়।


 পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর তাহাজ্জুদ নামাজ বাধ্যতামূলক ছিল। তাই তিনি জীবনে কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত হননি। তবে উম্মতে মুহাম্মদির জন্য এটা সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা অর্থাৎ এ নামাজ আদায় করলে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়, কিন্তু আদায় করতে না পারলে কোনো গুনাহ হবে না। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়তের সঙ্গে সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রোজা পালন করে, তার বিগত জীবনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রাতে কিয়াম করে, তার বিগত দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম বা রাত জেগে ইবাদত করে, তার বিগত জীবনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
রমজান মাস ও অন্যান্য সময় তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের পরে পড়তে হয়। মধ্যরাতে যখন লোকেরা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন, তখন রোজাদার মুমিন বান্দা ঘুম থেকে জেগে ইবাদত-বন্দেগি করেন এবং সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। সুবহে সাদিক হয়ে গেলে এ নামাজ আর পড়া যায় না। যদি রাত দ্বিপ্রহরের পর নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পর এবং বিতরের আগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতে হয়। অবশ্য তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের আগে পড়লে সওয়াব কম পাওয়া যায়। রাতের শেষাংশে পড়লে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদ নামাজ কখনো ৪ রাকাত, কখনো ৮ রাকাত এবং কখনো ১২ রাকাত পড়েছিলেন। তাই রোজাদার ব্যক্তির তাহাজ্জুদ নামাজ কমপক্ষে ৪ রাকাত আদায় করা উচিত। কিন্তু যদি কেউ এ নামাজ ২ রাকাত আদায় করেন, তাহলেও তাঁর তাহাজ্জুদ আদায় হবে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এশার পর দুই বা ততোধিক রাকাত নামাজ পড়ে নেয়, সে হবে তাহাজ্জুদের ফজিলতের অধিকারী।’
রমজান মাসে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কালে পবিত্র কোরআনের আয়াত খুব বেশি তিলাওয়াত করা উত্তম। যদি দীর্ঘ সূরা মুখস্থ থাকে, তাহলে তাহাজ্জুদ নামাজে দীর্ঘ সূরা তিলাওয়াত করা উত্তম। ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের প্রথম রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ১২ বার, দ্বিতীয় রাকাতে ১১ বার, তৃতীয় রাকাতে ১০ বার, চতুর্থ রাকাতে ৯ বার অনুসারে দ্বাদশ রাকাতে একবার পড়তে হয়। আবার প্রত্যেক রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ৩ বার অথবা ১ বার হিসেবেও পড়া যায়। আবার সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াতুল কুরসি এবং সূরা আল-ইনশিরাহও পড়া যায়।
মাহে রমজানে দিবাভাগে পানাহার বর্জন করে রোজা পালনের পর গভীর রাতে নিদ্রাসুখ ত্যাগ করে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সব নফল ইবাদত অপেক্ষা অধিক এবং এটি আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। এ জন্য আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর এ নামাজ ফরজ করে দিয়েছিলেন। রোজাদার ব্যক্তি যদি তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তার পাপরাশি মার্জনা করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার প্রভু প্রত্যেক রাতের শেষাংশে নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, যে কেউ আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তা কবুল করব, যে কেউ কিছু প্রার্থনা করবে, আমি তা প্রদান করব, যে কেউ আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (বুখারি ও মুসলিম)

রমজান মাসে রাত জাগরণ করে যাঁরা তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন এবং অপরকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করেন, তাঁরা আল্লাহর অপার রহমতের মধ্যে বিচরণ করেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ ওই ব্যক্তির ওপর রহমত নাজিল করেন, যিনি রাতে নিদ্রা থেকে জেগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন এবং তাঁর স্ত্রীকে নিদ্রা থেকে জাগিয়ে দেন। অতঃপর তিনি (তাঁর স্ত্রী) তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। এমনকি যদি তিনি (স্ত্রী) ঘুম থেকে জাগ্রত হতে না চান, তাহলে তাঁর মুখে পানি ছিটিয়ে দেন।’ (আবু দাউদ ও নাসাঈ) রোজাদার তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি অধিক সম্মানের অধিকারী হন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুসলমানদের মধ্যে আল কোরআনে অভিজ্ঞ ও তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি সম্মানের অধিকারী হবেন।’ (বায়হাকি)

তাহাজ্জুদ নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো বিনা ওজরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া ছাড়তেন না। সাহাবিগণও রমজান মাসে নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। অথচ রোজার মাসে ঐচ্ছিক ইবাদতের দরজা খোলা থাকা সত্ত্বেও বহু মিথ্যাবাদী ও পরনিন্দাকারী রোজাদার রাত জেগে তারাবি ও তাহাজ্জুদ গুজারের ভাগ্যে ক্ষুধা, পিপাসা এবং রাত জাগরণ ছাড়া আর কিছুই জোটে না। রমজান মাসে যেহেতু শেষ রাতে সেহির খাওয়ার জন্য জাগতেই হয়, আর সেহির খাওয়ার আগ পর্যন্ত শেষ রাত একান্ত দোয়া কবুলের সময়; তাই একটু আগেভাগে উঠে সেহিরর আগে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের ও সওয়াব প্রাপ্তির সুবর্ণ সুযোগের সদ্ব্যবহার করা উচিত।

– প্রথম আলো অবলম্বনে

ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট

পণ্য আমদানী রপ্তানীতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। আমদানীকারক এবং রপ্তানীকারকদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা কিছুটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের পক্ষে এই কাজটি সম্পন্ন করে থাকে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট।


ক্লিয়ারিং
বিদেশ হতে সড়ক, রেল, বিমান বা সমুদ্রপথ যেভাবেই পণ্য আমদানি করা হোক না কেন, সেটা সরাসরি ডেলিভারি নেয়া যায় না। কস্টমস কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। সেই সাথে পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষেরও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। কারণ পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষ একই সাথে বিভিন্ন আমদানিকারকের পণ্য বহন করে এবং বহনকারী কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রাপকের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে বাধ্য। এটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি আমদানীকারকের পক্ষে সম্পন্ন করে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট।

আমদানি করার সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়।
  • প্যাকিং লিস্ট।
  • ক্লীন রিপোর্ট ও ফাইন্ডিংস (CRF).
  • বাণিজ্যিক চালানপত্র।
  • মাস্টার এল সি।
  • ইন্স্যুরেন্স কভার নোট।
এছাড়া দেশে থেকে পণ্য সামগ্রী আমদানী করা হচ্ছে তাও উল্লেখ করতে হয়।

ফরওয়ার্ডিং
অনুরুপভাবে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যে কাজটি রপ্তানীকারকের পক্ষে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট সম্পন্ন করে থাকে।

রপ্তানির সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়
  • রপ্তানি নিবন্ধীকরণ সনদপত্র (ই আর সি),
  • বিক্রয় চুক্তিপত্র/ প্রত্যায়নপত্রের অনুলিপি।
  • বাণিজ্যিক ইনভয়েস।
  • প্যাকিং লিস্ট।
  • রপ্তানিকারকের ব্যাংক হতে যথাযথভাবে পূরণকৃত চার কপি ই এক্স পি ফরম।
  • রপ্তানি পণ্য ঘোষণার জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ডিবিএফ ৯/এ ফরম।
  • পণ্য বীমার সনদপত্র।
  • পণ্য বোঝাইকরনের বন্দরে পণ্য মাশুল/ভাড়া পরিশোধের জন্য ব্যাংক হতে পণ্য মাশুল সনদপত্র।
এছাড়া পাটজাত দ্রব্য এবং কাঁচাপাট জাহাজীকরণের জন্য ই পি ই এবং ই পি সি ফরম প্রয়োজন হয়।

সি এন্ড এফ এজেন্টের কার্যসম্পাদনের পদ্ধতি।
আমদানিকারক/ রপ্তানিকারকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বিল অব এন্ট্রি পূরণ করতে হয়। কাষ্টম হাউজ বা শুল্ক ষ্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাচাই-বাচাই শেষে ক্রমানুসারে কিছু কাজ সম্পাদন করেন।
  • বিল অব এন্ট্রি শাখায় এন্ট্রি করেন।
  • বিল অব এন্ট্রি প্রিন্ট করেন।
  • পর্যালোচনা করেন।
(বাণিজ্যিক আমাদানিকারক গণের ক্ষেত্রে কায়িক পরীক্ষা করে পর্যালোচনা করা হয়।)
  • পর্যালোচনা শেষে ডিউটি ফাইনাল প্রিন্ট করেন।

ঢাকার কয়েকটি সি এন্ড এফ এজেন্টের ঠিকানা
এজেন্টের নাম
ঠিকানা
যোগাযোগ
এ জি এন্টাপ্রাইজ
১৫০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা।
ফোন- ৯৫৫৭৭০৪, ৯৫৫৮৫৪৭
আব্দুর রহমান তামান্না ট্রেডিং
৫৭, পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা)।
ফোন- ৯৫৬৬৫৫৮, ৯৫৬২৫৭৪
আগা ইন্টারন্যাশনাল
৯/এইচ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা।
ফোন- ৯৫৬৫১৯৫, ৯৫৫১০১০
ই-মেইল-agahintl@accpsstel.net
এয়ারওশেন লজিষ্টিকস ইনকর্পোরেটেড
বাড়ি# ১৮১, সড়ক# ২৩, ডি ও এইচ এস (নতুন)
ফোন- ৯৮৮৪৩৫২
বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সীজ
৫০, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।
ফোন- ৯১১৭৪৪০
গ্লোরী ইন্টারন্যাশনাল
৬, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা।
ফোন- ৯৫৫৭৬৭৪, ৯৫৫০৬৭৩
গ্রীন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল
২৩৯, নিউ সার্কুলার রোড।
ফোন- ৮৩১৩৩৯২, ৯৩৪৭৩২৬
ই-মেইল- green@bdcom.com
এইচ এন্ড এইচ এন্টারপ্রাইজ
২৭, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা।
স্যুইট# ৭০১।
ফোন- ৯৫৬১৬৫৯৭, ৯৫৬৪৫৮২

হুদা ইন্টারন্যাশনাল
২৭, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (৭ম তলা)।
ফোন- ৯৫৬৫৬৪৩
হলি কার্গো এক্সপ্রেস
১৮৬/১, ইনার সার্কুলার রোড
ফোন- ৭১০০৫৯৪, ৭১০০১৩২
ই-মেইল- holy@aitlbd.net

লিমিটেড কোম্পানী গঠন

ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চালানোর এক পর্যায়ে অনেকেই সেটিকে কোম্পানীতে রুপান্তরিত করেন কিছু আইনগত সুবিধা নেবার জন্য। কোম্পানী গঠন করতে হলে সেটির একটি নাম দিতে হবে। কাঙ্খিত নামে রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে প্রথমে নামের ছাড়পত্র বা নেম ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। এরপর কিছু প্রক্রিয়া মেনে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন ফি অনুমোদিত মূলধনের ওপর নির্ধারিত হয়ে থাকে। ঢাকা অঞ্চলের জন্য এ কাজ করতে হলে কারওয়ান বাজারের টিসিবি ভবনের সাত তলায় অবস্থিত নিবন্ধন দপ্তরে যেতে হবে। এ কাজটি সনাতন পদ্ধতিতে করা যায় আবার নিবন্ধন দপ্তরের কিওস্ক ব্যবহার করে অনলাইনেও করা যায়।
 
ঢাকা জোনের নিবন্ধন দপ্তর:
টিসিবি ভবন (সাত তলা), কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
টেলিফোন +৮৮-০২-৮১৮৯৪০১, ৮১৮৯৪০৩
ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৮১৮৯৪০২
ই-মেইল: rjsc@roc.gov.bd
ওয়েবসাইট: http://www.roc.gov.bd
 
প্রক্রিয়া:
নিবন্ধকের কাছে নিবন্ধন ফি দিয়ে কোম্পানীর তিনটি সম্ভাব্য নাম প্রস্তাব প্রস্তাব করতে হবে। আগে নিবন্ধন করা হয়েছে এমন নাম পাওয়া যাবে না। http://www.roc.gov.bd সাইট থেকে নামের একটি তালিকা দেখা যেতে পারে। নাম অনুমোদনের পর দু’জন সাক্ষীর সামনে সংঘ বিধি ও সংঘ স্মারকে সাক্ষর করতে হয়। এই সংঘ বিধি ও স্মারকে বিশেষ স্ট্যাম্প লাগাতে হয় সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হয়। টাকার পরিমাণ অনুমোদিত মূলধনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়ে থাকে।
 
  • প্রাইভেট কোম্পানী হলে স্ট্যাম্পযুক্ত সংঘবিধি, তিন কপি স্মারক ও সংঘবিধি পূরণ করে ১, ৬, ৯, ১০ ও ১২ ছাড়পত্র, বিশেষ স্ট্যাম্প ক্রয় সংক্রান্ত চালানের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
  • পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী গঠনের ক্ষেত্রে এসব কাগজপত্র ছাড়াও প্রসপেক্টাসের বিকল্প বিবরণী, ব্যবসা শুরুর ঘোষণা পত্র এবং  বিশেষ ক্ষেত্রে ফরম ১১ জমা দিতে হয়।
  • রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস কোম্পানীগুলোর মালিকানা এবং তালিকভুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারক করে। প্রাইভেট, পাবলিক এবং বিদেশী কোম্পানীর রেজিষ্ট্রেশন ছাড়াও বাণিজ্যিক সংস্থা ও যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানীর রেজিস্ট্রেশনের কাজ করা হয় এখানে।
 
নেম ক্লিয়ারেন্স:
প্রস্তাবিত নামের অনুমোদন নেয়া বা নেম ক্লিয়ারেন্স নিতে প্রতি নামের জন্য ১০০ টাকা ফি দিতে হয়।
 
সংঘ স্মারকে ৫০০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প এর অতিরিক্ত স্ট্যাম্প লাগানোর নিয়ম:
 
মূলধনের পরিমাণ
টাকার পরিমাণ
১০ লাখ টাকা পর্যন্ত
২,০০০ টাকা
১০ লাখ এক টাকা থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত
৪,০০০ টাকা
৩ কোটির ঊর্ধ্বে যোকোন অংকের জন্য
১০,০০০ টাকা
 
রেজিস্ট্রেশন ফি
মোট ছয়টি কাগজ জমা দিতে হয়, পাঁচটি পূরণকৃত ফরম এবং একটি সংঘ স্মারক। প্রতি কাগজের জন্য ২০০ টাকা করে মোট ১,২০০ টাকা জমা দিতে হয়।

অনুমোদিত মূলধনের জন্য ফি:
মূলধনের পরিমাণ
ফি-এর পরমাণ
২০,০০০ টাকা পর্যন্ত
৩৬০ টাকা
২০,০০০ টাকা অতিক্রমের পর ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি ১০,০০০ টাকার জন্য
১৮০ টাকা
৫০,০০০ টাকা অতিক্রমের পর ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি ১০,০০০ টাকার জন্য
৪৫ টাকা
৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রতি দশ হাজারের জন্য
২৮ টাকা
এরপর প্রতি এক লাখের জন্য
৪৫ টাকা
 

আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে আপনার যা যা লাগবে

আপনারা যদি কেউ মনে করেন দেশে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি করবেন কিন্তু কিভাবে আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে হয় জানেন না তারা বিস্তারিত জেনে নিন- 
 
আমাদের দেশে আমদানি এবং রপ্তানি এই দুই কাজের জন্য সরকার বিশেষ দুই লাইসেন্স দিয়ে থাকে এক্ষেত্রে আপনি দেশে আমদানি এবং রপ্তানি যোগ্য যেকোনো পণ্য যেকোনো পরিমাণে আনতে বা বাইরে পাঠাতে পারবেন। আর এই লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনেক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো।
 
আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র জারির জন্য আপনার যা যা লাগবে-
১) ট্রেড লাইসেন্স;
২) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র;
৩) টিআইএন;
৪) ব্যাংক প্রত্যায়ন পত্র;
৫) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক অনুমোদিত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন।
 
উপরের সব কাগজ পত্র যদি আপনার করা থাকে তবে তা নিয়ে আপনি তিন ঘন্টার মধ্যে অর্থাৎ একই দিনে আমদানি ও রফতানি সনদ জারি করিয়ে নিতে পারবেন।
 
আমদানি রপ্তানি কারকদের জন্য ৬টি ধাপে আমদানি রপ্তানি সীমার উপর ফিস প্রদান করতে হয়ঃ
১) ১ লক্ষ টাকার সমমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee -১,০০০
Renewal fee – ১,০০০

২) ৫ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Rgistration fee – ২,০০০
Renewal fee – ২,০০০

৩) ১৫ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ৩,০০০
Renewal fee – ৩,০০০

৪) ৫০ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee ৬,০০০
Renewal fee – ৫,০০০

৫) ১ কোটি টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ১০,০০০
Renewal fee – ৪,০০০

৬) ১ কোটির উপরে পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ১৫,০০০
Renewal fee – ১০,০০০

এলসি খোলা এবং লোন

এলসি খোলা এবং লোন

 
বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে।

এলসির পূর্ব ও পরবর্তী করণীয়
ব্যাংকে অবশ্যই নিজস্ব কোম্পানীর একাউন্ট থাকতে হবে। পণ্য বা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীর নিকট থেকে পি আই /প্রোফরমা ইনভয়েজ আনতে হবে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ –এ পণ্য বা যন্ত্রাংশের মূল্য, পরিমাণ ও শর্তাবলী উল্লেখ থাকে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ – এর কাগজ কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান পূর্বক যে ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে সেখানে জমা দিতে হবে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ এর কাগজ পাওয়ার পর ব্যাংক থেকে ৬টা ফরম প্রদান করে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান সাপেক্ষে ফরম ৬টি এবং এলসি মার্জিনের সর্বনিম্ন শতকরা ২০ ভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। নিজ দায়িত্বে অথবা ব্যাংকের সহায়তায় আমদানীকৃত পণ্য/যন্ত্রাংশের বীমা করতে হয়। বীমা ও ব্যাংকের কাগজপত্র সরবরাহকারীর নিকট পাঠালে সে পণ্য বা যন্ত্রাংশ সমুদ্র/সড়ক পথে প্রেরণ করে। স্থল/সমুদ্র বন্দরে পণ্য/যন্ত্রাংশ পৌঁছানোর পর এলসি–এর  বাকী অর্থ ব্যাংকে পরিশোধ করতে হয়। এরপর ব্যাংক এন ও সি  এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করে। এই এন ও সি  এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোম্পানী মনোনীত সি এন্ড এফ এজেন্টের মাধ্যমে স্থল/সমুদ্র বন্দরের শুল্ক বিভাগে প্রদর্শন ও অন্যান্য কার্যাবলী সম্পাদন করে পণ্য বা যন্ত্রাংশ খালাস করতে হয়।  

বিএসটিআই ছাড়পত্র নেয়া

যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যপণ্য এবং ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণের কাজটি করে এফডিএ বা ফুড এন্ড ড্রাগ এ্যাডমনিস্ট্রেশন, বাংলাদেশে সে রকম একক কোন সংস্থা নেই। এখানে ওষুধ প্রশাসন ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণের কাজটি করে আর খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বিএসটিআই-এর। খাদ্যদ্রব্য, কৃষিপণ্য, রাসায়নিক, পাটবস্ত্র, বিদ্যুৎ প্রযুক্তি এবং কৌশল-এ ৬টি ক্যাটাগরীর ১৪৫ টি পণ্যের জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টি ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) লাইসেন্স প্রয়োজন হয়।
 
১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী ১৯৭১-এর পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ করতে থাকে। ১৯৮৫ সালে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটে পরিণত হয়।
 
সময়সূচী:
বিএসটিআই সরকারী সপ্তর, শুক্র-শনি এবং ছুটির দিনগুলোতে বিএসটিআই অফিস বন্ধ থাকে। অফিস সময়: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা।
 
যোগাযোগ:
মান ভবন
১১৬/এ, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা ১২০৮
ফোন: ৮৮২১৪৬২, ৯১৩১৫৮২, ৯৮৮০০০৭, ৯৮৯৪৮৮৮, ৯৮৯৮১১৫, ৯৮৯৭৯৬০, ৮৮১৩৩২২
ফ্যাক্স: (৮৮০-২)-৯১৩১৫৮১
ই-মেইল: bsti@bangla.net
ওয়েবসাইট: http://www.bsti.gov.bd
 
ছাড়পত্র নেয়ার পদ্ধতি:
বিএসটিআই ছাড়পত্র নিতে হলে যেতে হবে তেজগাঁও শিল্প এলাকার বিএসটিআই অফিসে। এখানে সিএম উইং-এ যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করতে হয়। নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ফি ৫০ টাকা আর নবায়ন ফি ২৫ টাকা। পণ্য পরীক্ষা এবং লাইসেন্স নেবার জন্য আলাদাভাবে টেস্টিং ফি দিতে হয়। বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে এই টেস্টিং ফি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণভাবে লাইসেন্স নিতে হলে ফি এক রকম আর আর্জেন্ট বা দ্রুত লাইসেন্স করাতে চাইলে আরেকরকম ফি দিতে হয়।
 
আবেদনপত্রের সাথে হালনাগাদ করা ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি, ট্রেড মার্ক রেজিষ্ট্রেশনের কপি, ভ্যাট বা টিন সনদের সত্যায়িত কপি, পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির তালিকা, মোড়ক, উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট রসায়নবিদের বায়োডাটা ইত্যাদি কাগজপত্র দিতে হয়।
 
লাইসেন্সের আবেদন করার পর বিএসটিআই পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দৈবচয়নের ভিত্তিতে নমুনা সংগ্রহ করেন। এসময় বিএসটিআই পরিদর্শক এবং আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উভয়ের সাক্ষরসহ পণ্যটি সীল করা হয়। পরে ল্যাবরেটরী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লাইসেন্স দেয়া হয়।
 
একবার লাইসেন্স নিলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। প্রতি তিন বছর পরপর একই নিয়ম মেনে লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। বিএসটিআই পরিদর্শকগণও বিভিন্ন সময় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করেন।
 
লাইসেন্সপ্রাপ্তির পর পণ্যের মোড়কে বিএসটিআই সীল দেবার সময় ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ পণ্যের নাম, উৎপাদনকারী বা আমদানীকারকের নাম, ওজন ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।