Showing posts with label Official Post. Show all posts
Showing posts with label Official Post. Show all posts
ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট
পণ্য আমদানী রপ্তানীতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। আমদানীকারক
এবং রপ্তানীকারকদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা কিছুটা কষ্টকর হয়ে
দাঁড়ায়। তাদের পক্ষে এই কাজটি সম্পন্ন করে থাকে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং
এজেন্ট।
ক্লিয়ারিং
বিদেশ হতে সড়ক, রেল, বিমান বা সমুদ্রপথ যেভাবেই পণ্য আমদানি করা হোক না কেন, সেটা সরাসরি ডেলিভারি নেয়া যায় না। কস্টমস কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। সেই সাথে পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষেরও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। কারণ পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষ একই সাথে বিভিন্ন আমদানিকারকের পণ্য বহন করে এবং বহনকারী কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রাপকের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে বাধ্য। এটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি আমদানীকারকের পক্ষে সম্পন্ন করে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট।
আমদানি করার সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়।
ফরওয়ার্ডিং
অনুরুপভাবে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যে কাজটি রপ্তানীকারকের পক্ষে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট সম্পন্ন করে থাকে।
রপ্তানির সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়
সি এন্ড এফ এজেন্টের কার্যসম্পাদনের পদ্ধতি।
আমদানিকারক/ রপ্তানিকারকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বিল অব এন্ট্রি পূরণ করতে হয়। কাষ্টম হাউজ বা শুল্ক ষ্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাচাই-বাচাই শেষে ক্রমানুসারে কিছু কাজ সম্পাদন করেন।
ঢাকার কয়েকটি সি এন্ড এফ এজেন্টের ঠিকানা
ক্লিয়ারিং
বিদেশ হতে সড়ক, রেল, বিমান বা সমুদ্রপথ যেভাবেই পণ্য আমদানি করা হোক না কেন, সেটা সরাসরি ডেলিভারি নেয়া যায় না। কস্টমস কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। সেই সাথে পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষেরও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। কারণ পণ্য বহনকারী কর্তৃপক্ষ একই সাথে বিভিন্ন আমদানিকারকের পণ্য বহন করে এবং বহনকারী কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রাপকের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে বাধ্য। এটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি আমদানীকারকের পক্ষে সম্পন্ন করে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট।
আমদানি করার সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়।
- প্যাকিং লিস্ট।
- ক্লীন রিপোর্ট ও ফাইন্ডিংস (CRF).
- বাণিজ্যিক চালানপত্র।
- মাস্টার এল সি।
- ইন্স্যুরেন্স কভার নোট।
ফরওয়ার্ডিং
অনুরুপভাবে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যে কাজটি রপ্তানীকারকের পক্ষে ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট সম্পন্ন করে থাকে।
রপ্তানির সময় যেসব কাগজপত্র সি এন্ড এফ এজেন্টকে সরবরাহ করতে হয়
- রপ্তানি নিবন্ধীকরণ সনদপত্র (ই আর সি),
- বিক্রয় চুক্তিপত্র/ প্রত্যায়নপত্রের অনুলিপি।
- বাণিজ্যিক ইনভয়েস।
- প্যাকিং লিস্ট।
- রপ্তানিকারকের ব্যাংক হতে যথাযথভাবে পূরণকৃত চার কপি ই এক্স পি ফরম।
- রপ্তানি পণ্য ঘোষণার জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ডিবিএফ ৯/এ ফরম।
- পণ্য বীমার সনদপত্র।
- পণ্য বোঝাইকরনের বন্দরে পণ্য মাশুল/ভাড়া পরিশোধের জন্য ব্যাংক হতে পণ্য মাশুল সনদপত্র।
সি এন্ড এফ এজেন্টের কার্যসম্পাদনের পদ্ধতি।
আমদানিকারক/ রপ্তানিকারকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বিল অব এন্ট্রি পূরণ করতে হয়। কাষ্টম হাউজ বা শুল্ক ষ্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাচাই-বাচাই শেষে ক্রমানুসারে কিছু কাজ সম্পাদন করেন।
- বিল অব এন্ট্রি শাখায় এন্ট্রি করেন।
- বিল অব এন্ট্রি প্রিন্ট করেন।
- পর্যালোচনা করেন।
- পর্যালোচনা শেষে ডিউটি ফাইনাল প্রিন্ট করেন।
ঢাকার কয়েকটি সি এন্ড এফ এজেন্টের ঠিকানা
|
এজেন্টের নাম
|
ঠিকানা
|
যোগাযোগ
|
|
এ জি এন্টাপ্রাইজ |
১৫০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা। |
ফোন- ৯৫৫৭৭০৪, ৯৫৫৮৫৪৭ |
|
আব্দুর রহমান তামান্না ট্রেডিং |
৫৭, পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা)। |
ফোন- ৯৫৬৬৫৫৮, ৯৫৬২৫৭৪ |
|
আগা ইন্টারন্যাশনাল |
৯/এইচ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা। |
ফোন- ৯৫৬৫১৯৫, ৯৫৫১০১০ ই-মেইল-agahintl@accpsstel.net |
|
এয়ারওশেন লজিষ্টিকস ইনকর্পোরেটেড |
বাড়ি# ১৮১, সড়ক# ২৩, ডি ও এইচ এস (নতুন) |
ফোন- ৯৮৮৪৩৫২ |
|
বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সীজ |
৫০, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ। |
ফোন- ৯১১৭৪৪০ |
|
গ্লোরী ইন্টারন্যাশনাল |
৬, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা। |
ফোন- ৯৫৫৭৬৭৪, ৯৫৫০৬৭৩ |
|
গ্রীন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল |
২৩৯, নিউ সার্কুলার রোড। |
ফোন- ৮৩১৩৩৯২, ৯৩৪৭৩২৬ ই-মেইল- green@bdcom.com |
|
এইচ এন্ড এইচ এন্টারপ্রাইজ |
২৭, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা। স্যুইট# ৭০১। |
ফোন- ৯৫৬১৬৫৯৭, ৯৫৬৪৫৮২ |
|
হুদা ইন্টারন্যাশনাল |
২৭, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (৭ম তলা)। |
ফোন- ৯৫৬৫৬৪৩ |
|
হলি কার্গো এক্সপ্রেস |
১৮৬/১, ইনার সার্কুলার রোড |
ফোন- ৭১০০৫৯৪, ৭১০০১৩২ ই-মেইল- holy@aitlbd.net |
লিমিটেড কোম্পানী গঠন
ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চালানোর
এক পর্যায়ে অনেকেই সেটিকে কোম্পানীতে রুপান্তরিত করেন কিছু আইনগত সুবিধা
নেবার জন্য। কোম্পানী গঠন করতে হলে সেটির একটি নাম দিতে হবে। কাঙ্খিত নামে
রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে প্রথমে নামের ছাড়পত্র বা নেম ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে।
এরপর কিছু প্রক্রিয়া মেনে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন ফি
অনুমোদিত মূলধনের ওপর নির্ধারিত হয়ে থাকে। ঢাকা অঞ্চলের জন্য এ কাজ করতে
হলে কারওয়ান বাজারের টিসিবি ভবনের সাত তলায় অবস্থিত নিবন্ধন দপ্তরে যেতে
হবে। এ কাজটি সনাতন পদ্ধতিতে করা যায় আবার নিবন্ধন দপ্তরের কিওস্ক ব্যবহার
করে অনলাইনেও করা যায়।
অনুমোদিত মূলধনের জন্য ফি:
ঢাকা জোনের নিবন্ধন দপ্তর:
টিসিবি ভবন (সাত তলা), কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
টেলিফোন +৮৮-০২-৮১৮৯৪০১, ৮১৮৯৪০৩
ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৮১৮৯৪০২
ই-মেইল: rjsc@roc.gov.bd
ওয়েবসাইট: http://www.roc.gov.bd
প্রক্রিয়া:
নিবন্ধকের কাছে নিবন্ধন ফি দিয়ে কোম্পানীর তিনটি সম্ভাব্য নাম প্রস্তাব
প্রস্তাব করতে হবে। আগে নিবন্ধন করা হয়েছে এমন নাম পাওয়া যাবে না। http://www.roc.gov.bd
সাইট থেকে নামের একটি তালিকা দেখা যেতে পারে। নাম অনুমোদনের পর দু’জন
সাক্ষীর সামনে সংঘ বিধি ও সংঘ স্মারকে সাক্ষর করতে হয়। এই সংঘ বিধি ও
স্মারকে বিশেষ স্ট্যাম্প লাগাতে হয় সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে ট্রেজারী
চালানের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হয়। টাকার পরিমাণ অনুমোদিত মূলধনের ভিত্তিতে
নির্ধারিত হয়ে থাকে।
- প্রাইভেট কোম্পানী হলে স্ট্যাম্পযুক্ত সংঘবিধি, তিন কপি স্মারক ও সংঘবিধি পূরণ করে ১, ৬, ৯, ১০ ও ১২ ছাড়পত্র, বিশেষ স্ট্যাম্প ক্রয় সংক্রান্ত চালানের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
- পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী গঠনের ক্ষেত্রে এসব কাগজপত্র ছাড়াও প্রসপেক্টাসের বিকল্প বিবরণী, ব্যবসা শুরুর ঘোষণা পত্র এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ফরম ১১ জমা দিতে হয়।
- রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস কোম্পানীগুলোর মালিকানা এবং তালিকভুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারক করে। প্রাইভেট, পাবলিক এবং বিদেশী কোম্পানীর রেজিষ্ট্রেশন ছাড়াও বাণিজ্যিক সংস্থা ও যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানীর রেজিস্ট্রেশনের কাজ করা হয় এখানে।
নেম ক্লিয়ারেন্স:
প্রস্তাবিত নামের অনুমোদন নেয়া বা নেম ক্লিয়ারেন্স নিতে প্রতি নামের জন্য ১০০ টাকা ফি দিতে হয়।
সংঘ স্মারকে ৫০০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প এর অতিরিক্ত স্ট্যাম্প লাগানোর নিয়ম:
|
মূলধনের পরিমাণ
|
টাকার পরিমাণ
|
|
১০ লাখ টাকা পর্যন্ত
|
২,০০০ টাকা
|
|
১০ লাখ এক টাকা থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত
|
৪,০০০ টাকা
|
|
৩ কোটির ঊর্ধ্বে যোকোন অংকের জন্য
|
১০,০০০ টাকা
|
রেজিস্ট্রেশন ফি
মোট ছয়টি কাগজ জমা দিতে হয়, পাঁচটি পূরণকৃত ফরম এবং একটি সংঘ স্মারক। প্রতি কাগজের জন্য ২০০ টাকা করে মোট ১,২০০ টাকা জমা দিতে হয়।
অনুমোদিত মূলধনের জন্য ফি:
|
মূলধনের পরিমাণ
|
ফি-এর পরমাণ
|
|
২০,০০০ টাকা পর্যন্ত |
৩৬০ টাকা
|
|
২০,০০০ টাকা অতিক্রমের পর ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি ১০,০০০ টাকার জন্য |
১৮০ টাকা
|
|
৫০,০০০ টাকা অতিক্রমের পর ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি ১০,০০০ টাকার জন্য |
৪৫ টাকা
|
|
৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রতি দশ হাজারের জন্য |
২৮ টাকা
|
|
এরপর প্রতি এক লাখের জন্য |
৪৫ টাকা
|
আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে আপনার যা যা লাগবে
আপনারা যদি কেউ মনে করেন দেশে বিদেশ থেকে
পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি করবেন কিন্তু কিভাবে আমদানি ও রপ্তানি
সার্টিফিকেট বানাতে হয় জানেন না তারা বিস্তারিত জেনে নিন-
আমাদের দেশে আমদানি এবং রপ্তানি এই দুই কাজের জন্য সরকার বিশেষ দুই
লাইসেন্স দিয়ে থাকে এক্ষেত্রে আপনি দেশে আমদানি এবং রপ্তানি যোগ্য যেকোনো
পণ্য যেকোনো পরিমাণে আনতে বা বাইরে পাঠাতে পারবেন। আর এই লাইসেন্স করার
ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনেক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। নিচে বিস্তারিত
দেয়া হলো।
আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র জারির জন্য আপনার যা যা লাগবে-
১) ট্রেড লাইসেন্স;
২) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র;
৩) টিআইএন;
৪) ব্যাংক প্রত্যায়ন পত্র;
৫) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক অনুমোদিত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন।
২) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র;
৩) টিআইএন;
৪) ব্যাংক প্রত্যায়ন পত্র;
৫) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক অনুমোদিত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন।
উপরের সব কাগজ পত্র যদি আপনার করা থাকে তবে তা নিয়ে আপনি তিন ঘন্টার মধ্যে
অর্থাৎ একই দিনে আমদানি ও রফতানি সনদ জারি করিয়ে নিতে পারবেন।
আমদানি রপ্তানি কারকদের জন্য ৬টি ধাপে আমদানি রপ্তানি সীমার উপর ফিস প্রদান করতে হয়ঃ
১) ১ লক্ষ টাকার সমমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee -১,০০০
Renewal fee – ১,০০০
Registration fee -১,০০০
Renewal fee – ১,০০০
২) ৫ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Rgistration fee – ২,০০০
Renewal fee – ২,০০০
Rgistration fee – ২,০০০
Renewal fee – ২,০০০
৩) ১৫ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ৩,০০০
Renewal fee – ৩,০০০
Registration fee – ৩,০০০
Renewal fee – ৩,০০০
৪) ৫০ লক্ষ টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee ৬,০০০
Renewal fee – ৫,০০০
Registration fee ৬,০০০
Renewal fee – ৫,০০০
৫) ১ কোটি টাকার সম পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ১০,০০০
Renewal fee – ৪,০০০
Registration fee – ১০,০০০
Renewal fee – ৪,০০০
৬) ১ কোটির উপরে পরিমান পণ্য এর ক্ষেত্রে
Registration fee – ১৫,০০০
Renewal fee – ১০,০০০
Registration fee – ১৫,০০০
Renewal fee – ১০,০০০
এলসি খোলা এবং লোন
এলসি খোলা এবং লোন
বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত
এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য
আমদানি রপ্তানি করে থাকে।
এলসি’র পূর্ব ও পরবর্তী করণীয়
ব্যাংকে অবশ্যই নিজস্ব কোম্পানীর একাউন্ট থাকতে হবে। পণ্য বা যন্ত্রাংশ
সরবরাহকারীর নিকট থেকে পি আই /প্রোফরমা ইনভয়েজ আনতে হবে। পি আই/প্রোফরমা
ইনভয়েজ –এ পণ্য বা যন্ত্রাংশের মূল্য, পরিমাণ ও শর্তাবলী উল্লেখ থাকে। পি
আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ – এর কাগজ কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক
কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান পূর্বক যে ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে সেখানে জমা
দিতে হবে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ এর কাগজ পাওয়ার পর ব্যাংক থেকে ৬টা ফরম
প্রদান করে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান
সাপেক্ষে ফরম ৬টি এবং এলসি মার্জিনের সর্বনিম্ন শতকরা ২০ ভাগ থেকে সর্বোচ্চ
৩০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। নিজ দায়িত্বে অথবা ব্যাংকের সহায়তায়
আমদানীকৃত পণ্য/যন্ত্রাংশের বীমা করতে হয়। বীমা ও ব্যাংকের কাগজপত্র
সরবরাহকারীর নিকট পাঠালে সে পণ্য বা যন্ত্রাংশ সমুদ্র/সড়ক পথে প্রেরণ করে।
স্থল/সমুদ্র বন্দরে পণ্য/যন্ত্রাংশ পৌঁছানোর পর এলসি–এর বাকী অর্থ ব্যাংকে
পরিশোধ করতে হয়। এরপর ব্যাংক এন ও সি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রদান করে। এই এন ও সি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোম্পানী মনোনীত সি এন্ড
এফ এজেন্টের মাধ্যমে স্থল/সমুদ্র বন্দরের শুল্ক বিভাগে প্রদর্শন ও অন্যান্য
কার্যাবলী সম্পাদন করে পণ্য বা যন্ত্রাংশ খালাস করতে হয়।
বিএসটিআই ছাড়পত্র নেয়া
যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যপণ্য এবং ওষুধের মান
নিয়ন্ত্রণের কাজটি করে এফডিএ বা ফুড এন্ড ড্রাগ এ্যাডমনিস্ট্রেশন,
বাংলাদেশে সে রকম একক কোন সংস্থা নেই। এখানে ওষুধ প্রশাসন ওষুধের মান
নিয়ন্ত্রণের কাজটি করে আর খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের
দায়িত্ব বিএসটিআই-এর। খাদ্যদ্রব্য, কৃষিপণ্য, রাসায়নিক, পাটবস্ত্র,
বিদ্যুৎ প্রযুক্তি এবং কৌশল-এ ৬টি ক্যাটাগরীর ১৪৫ টি পণ্যের জন্য বাংলাদেশ
স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টি ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) লাইসেন্স প্রয়োজন হয়।
১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী ১৯৭১-এর পট পরিবর্তনের
পর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ করতে থাকে। ১৯৮৫ সালে
একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং
ইনস্টিটিউটে পরিণত হয়।
সময়সূচী:
বিএসটিআই সরকারী সপ্তর, শুক্র-শনি এবং ছুটির দিনগুলোতে বিএসটিআই অফিস বন্ধ থাকে। অফিস সময়: সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা।
যোগাযোগ:
মান ভবন
১১৬/এ, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা ১২০৮
ফোন: ৮৮২১৪৬২, ৯১৩১৫৮২, ৯৮৮০০০৭, ৯৮৯৪৮৮৮, ৯৮৯৮১১৫, ৯৮৯৭৯৬০, ৮৮১৩৩২২
ফ্যাক্স: (৮৮০-২)-৯১৩১৫৮১
ই-মেইল: bsti@bangla.net
ওয়েবসাইট: http://www.bsti.gov.bd
ছাড়পত্র নেয়ার পদ্ধতি:
বিএসটিআই ছাড়পত্র নিতে হলে যেতে হবে তেজগাঁও শিল্প এলাকার বিএসটিআই অফিসে।
এখানে সিএম উইং-এ যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে
আবেদন করতে হয়। নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ফি ৫০ টাকা আর নবায়ন ফি ২৫ টাকা।
পণ্য পরীক্ষা এবং লাইসেন্স নেবার জন্য আলাদাভাবে টেস্টিং ফি দিতে হয়।
বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে এই টেস্টিং ফি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণভাবে
লাইসেন্স নিতে হলে ফি এক রকম আর আর্জেন্ট বা দ্রুত লাইসেন্স করাতে চাইলে
আরেকরকম ফি দিতে হয়।
আবেদনপত্রের সাথে হালনাগাদ করা ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি, ট্রেড
মার্ক রেজিষ্ট্রেশনের কপি, ভ্যাট বা টিন সনদের সত্যায়িত কপি, পণ্য উৎপাদনে
ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির তালিকা, মোড়ক, উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট রসায়নবিদের বায়োডাটা
ইত্যাদি কাগজপত্র দিতে হয়।
লাইসেন্সের আবেদন করার পর বিএসটিআই পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দৈবচয়নের
ভিত্তিতে নমুনা সংগ্রহ করেন। এসময় বিএসটিআই পরিদর্শক এবং আবেদনকারী
প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উভয়ের সাক্ষরসহ পণ্যটি সীল করা হয়।
পরে ল্যাবরেটরী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লাইসেন্স দেয়া হয়।
একবার লাইসেন্স নিলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। প্রতি তিন বছর পরপর একই নিয়ম
মেনে লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। বিএসটিআই পরিদর্শকগণও বিভিন্ন সময় বাজার থেকে
পণ্য সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করেন।
লাইসেন্সপ্রাপ্তির পর পণ্যের মোড়কে বিএসটিআই সীল দেবার সময় ব্যাচ নম্বর,
উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ পণ্যের নাম, উৎপাদনকারী বা আমদানীকারকের
নাম, ওজন ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।
ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করা
আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। যে কোন ব্যবসা করতে হলে আগে ট্রেড লাইসেন্স নিতে
হয়। ‘১৯৮৬ সালের মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ট্যাক্সেশন বিধিমালার ৪৪(১) বিধি
অনুসারে সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে
অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। যদি কেউ তা না নিয়ে ব্যবসা করেন, তবে তাঁর
বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। মামলায় তাঁর জেল-জরিমানার বিধান আছে।’ শুধু যে
আইনি বাধ্যবাধকতার জন্যই আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে, তা নয়। একটি
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নানা কাজে লাগে এই ট্রেড লাইসেন্স। যেমন, ব্যাংক ঋণ
নিতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব খুলতে, ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে
ব্যবসায়ীর বিদেশে যেতে ইত্যাদি কাজে ট্রেড লাইসেন্স অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
অন্যদিকে এটা সিটি করপোরেশনের জন্য একটা রাজস্ব খাত। সিটি কর্পোরেশন ছাড়াও
পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও ট্রেড লাইসেন্স
প্রদান করা হয়। আসুন জেনে ঢাকাতে কীভাবে এই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়।
সাধারণত তিন থেকে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
ফরম সংগ্রহ:
ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহের জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের ফরম রয়েছে। ফরমগুলো ‘আই
ফরম’ ও ‘কে ফরম’ নামে চিহ্নিত। প্রতিটি ফরমের দাম ১০ টাকা। ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান যদি ছোট বা সাধারণ হয়, তবে ‘ফরম আই’ আর বড় ব্যবসার ক্ষেত্রে
‘ফরম কে’ নিতে হয়। উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি এবং দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের
অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিস থেকেই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
লাইসেন্স ফি:
সিটি করপোরেশনের দ্বারা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত হতে পারে এবং এর
প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইসেন্স ফি পরিশোধের মাধ্যমে
লাইসেন্স দেওয়া হয়। সাধারণত লাইসেন্স ফি সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৬
হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আকার বা ধরন অনুযায়ী এই
ফি নির্ধারণ করা হয়।
লাইসেন্স নবায়ন:
প্রতিটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে এক বছর। ১ বছর পর সেটি আবার নবায়ন
করতে হয়। খেয়াল করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে লাইসেন্স
নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। এজন্য বর্তমান ট্রেড লাইসেন্স সহ আঞ্চলিক
কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। লাইসেন্স নবায়ন ফি এর পরিমাণ নতুন
লাইসেন্স ফি এর সমান হয়। এবং ফি জমাদানের ব্যাংকের নাম ফরমে উল্লেখ করা
থাকে।
প্রয়োজনীয় তথ্য সংযোজন:
ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন করলে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের একটি নাম প্রস্তাব করা
হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তখন দেখেন ওই নাম কাউকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে কিনা?
বরাদ্দ দেয়া না হয়ে থাকলে ঐ নামে লাইসেন্স দেয়া হয়। ফলে অন্য কেউ ঐ নামে
ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পায় না। ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরমে নিচের তথ্যগুলো
প্রদান করতে হয় –
আবেদনকারীর নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান
ঠিকানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কারখানা অথবা কোম্পানির নাম ও ঠিকানা, ব্যবসা
আরম্ভ করার তারিখ, ব্যবসার ধরন, অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ
(লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য), ব্যবসার স্থান নিজের বা ভাড়ায়
এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডের বিবরণ।
সংযুক্ত কাগজপত্র:
ট্রেড লাইসেন্স আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়।
- প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস।
- প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানির পাশের অবস্থান বা স্থাপনার বিবরণসহ নকশা ও তার মালিকের অনাপত্তিনামা।
- কারখানা/সিএনজি স্টেশন/দাহ্য পদার্থের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র।
- দরখাস্তকারীর তিন কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা।
- প্রতিষ্ঠান প্রেস/পত্রিকা হলে ডিক্লারেশন।
- ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ ট্যাক্সের রসিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র/রসিদ।
এলসি (LC) করার নিয়ম
বিদেশ থেকে
পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী
করার জন্য অবশ্যই
ব্যাংকের মারফত এলসি
করতে হয় ।
এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ
থেকে অন্য দেশে
পন্য আমদানি রপ্তানি করে
থাকে।
এলসি করতে হলে
সবার আগে আপনার
কোম্পানীর টিন ভ্যাট
করাতে হবে। এরপর ব্যংকে
গিয়ে কোম্পানীর নামে
অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর
ব্যাংক থেক এলসিএ
ফর্ম কালেক্ট করে
পূরণ করে ব্যাংকে জমা
দিতে হয়। এই ফর্মে
কিছু তথ্য প্রদান
করতে হয়। যেমন কি
পন্য, দাম কত,
কোন দেশ থেকে
আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে
নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা
করা হয়েছে।.
পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড
লাইসেন্স, টিন, ভ্যাট
করা। আইআর সি
(ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।
পর্যায় ২: কোন ব্যাংক
এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।
পর্যায় ৩: যে পন্য
আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা
(ধরা যাক আপনি
১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ
আনবেন কোরিয়া থেকে।
এখন যে কোম্পানী থেকে
আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে
গিয়ে দাম দর
ঠিক করে একটা
ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই
ইনডেন্ট। আর সে
কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না
থাকে তাহলে সে
কোম্পানীতে সরাসরি মেইল
করে দাম ঠিক
করে ডকুমেন্ট আনাতে
হবে। তখন এটাকে
বলা হয় পি
আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে
পণ্যের বিস্তারিত, দাম,
পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব
তথ্যাদি থাকে।)
পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে
এলসিএ (লেটার অব
ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম
কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই
অনুযায়ী তা পূরন
করে ব্যাংক এ
জমা দেয়া।
পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা
দেয়া । প্রথম
দিকে ব্যাংক এ
পুরো টাকাটাই জমা
দিতে হবে। ধরা
যাক এলসি ভ্যলু
২০,০০০ ডলার।
ব্যাংক এ আপনাকে
১৬ লাখ টাকা
জমা দিতে হবে।
তবে আস্তে আস্তে
ব্যাংকের সাথে ব্যবসা
বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে
এলসি খুলতে হবে।
টাকার সাথে অন্যান্য কিছু
ডকুমেন্টও দিতে হবে।
যেমন:
- আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)
- ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
- সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
- ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)
এরপর ব্যাংক
আপনাকে এলসির একটা
কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে
দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)






