এইবার শুধু ওয়াইফাই না…ওয়াইফাই রাউটার হ্যাক করুন…

আমাদের দেশে ওয়াইফাই আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে…..
ঘরে ঘরে ব্রডব্যন্ড আসার পাশাপাশি ব্যবহার হচ্ছে ওয়াইফাই রাউটার।।
যদি আপনি ওয়াইফাই রাউটার করতে চান তবে অবশ্যই সেই ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড থাকা লাগবে
সেজন্য আপনার ওয়াইফাই এর পাসোয়ার্ড লাগবে .. রাউটারের মালিক আপনার পরিচত হলে পাসওয়ার্ড তার কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারেন অপরিচিত হলে  হ্যাক করে নিতে পারেন সহজ কিছু উপায়ে
আমাদের দেশের বেশীর ভাগ রাউটার ই Tp-Link company এর।এবং রাউটার কিনে যখন কেউ সেটাপ করে সেটা ডেটা ক্যবল এর সাহায্য করে থাকে।
সুতরাং বেশীর ভাগ রাউটার মালিক দের ই এই ব্যপারে আইডিয়া থাকে না যে তার রাউটার ডাটা ক্যবল ছাড়া ও শুধু মাত্র মোবাইল ফোন দিয়েই সম্পূর্ন  নিয়ন্ত্রন করা যাবে। আমরা সেটার ই সুযোগ নিবো

রাউটার এর কন্ট্রোল নেয়ার পর আপনি যা করতে পারবেন-
  • ওয়াইফাই এর নাম পরিবর্তন করতে পারবেন
  • পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন
  • রাউটার নতুন ভাবে সেটাপ করে দিতে পারবেন
এক কথায় আপনি সম্পূর্ন রাউটার এর ক্ষমতা পেয়ে যাবেন

তাহলে শুরু করা যাক..
আশা করি আপনি যে রাউটার হ্যাক করবেন সেটার ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড সংগ্রহ করে কানেক্ট করে ফেলছেন..তাহলে পরবর্তী ধাপে আসি
আপনি এটা কম্পিউটার ছাড়া ও মোবাইলের ডিফল্ট ব্রাউজার থেকে ও করতে পারেন
এখন যদি আপনি এন্ড্রয়েড ব্যবহার কারী হোন তাহলে মোবাইলের ডিফল্ট ব্রাউজার /Uc browser  থেকে নিচের লিংকে যান ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড থাকা অবস্থায়
=>http://192.168.0.1 যদি এটা কাজ না করে এখানে যান http://tplinklogin.net
http://tplinklogin.net শুধু মাত্র টিপি লিংক কোম্পানীর রাউটার এর জন্য কাজ করবে
এখন একটা পপ আপ আসবে যেটা রাউটার এর ইউজার নেম এবং পাসোয়ার্ড চাবে
সাধারনত রাউটার এর ডিফল্ট ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড নিচের মতো থাকে

User Name: admin
password   :admin

যদি কেউ এডভান্সড রাউটার ইউজার না হয় তারা এই ব্যপার টা জানেই না এবং পাসওয়ার্ড ও পরিবর্তন করে না .. সুতরাং আপনি এই ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড এর মাধ্যমেই রাউটার এর একসেস পেয়ে যেতে পারেন
সুতরাং এটা দিয়ে চেষ্টা করুন  username/password as admin/admin


 আপনি যদি সৌভাগ্যবান হন এই পাসোয়ার্ড দিয়েই রাউটার এর এডমিন প্যনেল পেয়ে যাবেন

রাউটার থেকে যেভাবে ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করবেন:

রাউটার এর ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করার জন্য রাউটার এর এডমিন প্যনেল থেকে নিচের মতো যান
Wireless=>Wireless Security তারপর “WPA-PSK/WPA2-PSK” এর নিচে আপনি রাউটার এর ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড দেখতে পারবেন এবং পরিবর্তন করতে পারবেন  .. পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করার পর সেভ করুন এবং রাউটার রিবুট করুন… তারপর আপনার নতুন পাসোয়ার্ড কার্যকরী হবে

হ্যাক করা রাউটার এর ওয়াইফাই নাম যেভাবে পরিবর্তন করবেন?

রাউটার এডমিন প্যনেল থেকে খুব সহজেই আপনি এটা করতে পারেন
নিচের মত যান
Wireless=>Wireless Settings  এবং  SSID1 এর ভিতর নতুন নাম দিন [যে নামে পরিবর্তন করতে চান] .. তারপর সেভ করে রাউটার রিভবুট করুন..তারপর আপনি আপনার নতুন দেয়া নামে ওয়াইফাই টাকে দেখতে পাবেন :p
এইভাবেই আপনি খুব সহজ ভাবে রাউটার এর পুরো নিয়ন্ত্রন নিয়ে নিতে পারেন!!
  
NB:আমি এই পদ্ধতিটা শুধু মাত্র আপনাদের শেখানোর জন্য শেয়ার করেছি…  দয়া করে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কারো ক্ষতি করবেন না

কীভাবে রাউটারের নিরাপত্তা বাড়াবেন[রাউটার মালিক দের জন্য]:

যদি আপনি ক্যবল দিয়ে আপয়ার রাউটার সেটাপ করে থাকেন তবে আপনার জেনে রাখা ভালো ক্যবল ছাড়া ও আপনি এই কাজটা করতে পারেন 192.168.0.1 তে গিয়ে যখন আপনি আপনার ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড আছেন
ডিফল্ট ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন user name/password : admin/admin
তারপর এডমিন প্যনেল এর নিএর দিক থেকে  System Tools=>Password এ যান ..প্রথমে আপনার ডিফল্টা ইউজার নেম/পাসোয়ার্ড টা দিন [admin/admin] তারপর নতুন ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড দিন

তারপর উপরের নিয়মে কেউ আপনার রাউটার এর একসেস নিতে পারবে না তবে অন্য কোন ভাবে পারবে

কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক থেকে পার্মানেন্টলি মুছে যাওয়া ফাইল রিকভার করুন সহজেই!!

কি ভাবে ফাইল রিকভার করবেন

১. যখনি দেখবেন আপনার ড্রাইভ  থেকে কোন ফাইল পারমানেন্টলি ডিলেট হয়ে গেছে, তবে সেই পার্টিশনটির সামান্যতম মডিফাই করবেন না. সেই পার্টিশনটি থেকে কোন অন্য ফাইল ডিলেট অথবা কপি করবেননা. এতে করে আপনার ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইল গুলো overwrite হয়ে যেতে পারে, যার ফলে আপনার ফাইল ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।


২. এবার এই লিংক থেকে Pandora recovery.exe ডাউনলোড করে নিন. তারপর  ডাউনলোড হওয়া ফাইলটি রান করুন. এটিই ৩.৪ মেগাবাইটের মেইন ফাইলটি ডাউনলোড করে নিবে।

৩. Pandora Recovery launch করুন।

৪. Next বাটন ক্লিক করুন।

৫. যেহেতু ফাইলটি পুরোপুরি ডিলিট হয়ে গেছে, তাই “No, I did not find my files” click করুন।

৬. যেই পার্টিশন থেকে ফাইলগুলো ডিলিট হয়েছে, সেই পার্টিশনটি সিলেক্ট করে Next ক্লিক করুন।

৭. “Browse” সিলেক্ট করে Next button click করুন।

৮. বাম দিকের প্যানেল  থেকে যেই ড্রাইভ থেকে ফাইল ডিলেট হয়েছে, তা ক্লিক করুন। স্ক্যান করার পরে দেখতে পারবেন আপনার ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল-ফোল্ডার গুলো। এবার ব্রাউজ করে আপনার মুছে যাওয়া ফাইলটি বের করুন।

৯. এবার আপনার মুছে যাওয়া ফাইলের উপর Right Click করে Recover to তে ক্লিক করুন।

১০. এবার “To this folder (click Browse to choose existing folder of choose folder from the list):” এ ক্লিক করে অন্য পার্টিশন বা USB Drive এর লোকেশন সিলেক্ট করুন। ভুলেও যেই পার্টিশন থেকে ফাইল ডিলেট হয়েছে, সেই পার্টিশনের লোকেশন সিলেক্ট করবেননা। এতে আপনার বাকি unrecovered ডাটা ফিরে পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এবার close ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার recovered ডাটা।
যদি ড্রাইভের কোন পরিবর্তন না করেন, তাহলে “% overwritten” এ সবই 0% শো করবে। কিন্তু মডিফাই করলে অনেক ডাটাই 100% overwritten হয়ে যেতে পারে।

কম্পিউটার চালু হওয়ার পর অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো চালু হওয়া বন্ধ করুন

আপনি যখন কম্পিউটার চালু করেন তখন কি কখনো লক্ষ্য করেছেন যে, আপনার কম্পিউটারটি চালু হওয়ার সাথে সাথেই আপনারই ইনস্ট্রল করা বেশ কিছু সফটওয়্যার অটোমেটিক চালু হয়ে যায় যার ফলে একদিকে যেমনি ভাবে কম্পিউটার চালুর সাথে সাথেই শ্লো হয়ে যায় তেমনিভাবে অন্যদিকে কম্পিউটার হারিয়ে ফেলে তার নিজের সৌন্দর্য্য কেননা সে সময় আপনার ডেস্কটপটি নিশ্চয়ই অনেক গুলো সফটওয়্যারে পূর্ণ থাকবে। আর খুব স্বাভাবিক ভাবেই এটি প্রত্যেকটি কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে নি:সন্দেহে অসহ্যকর ও বিরক্তিকর একটি ব্যাপার। আর এই সমস্যা থেকে আপনাদের রেহাই দিতেই আমি এখন লিখতে বসেছি। আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি তারা খুব সহজেই এই ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে পারি। কিন্তু তার আগে কিছু কথা বলে রাখা ভালো। এটা নতুনদের জ্ঞান বাড়াতে সহায়তা করবে।

প্রথম কথা হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে Startup নামক একটি অপশন রয়েছে যেখানে কোন সফটওয়্যার সংযুক্ত অবস্থায় থাকলে সেই সফটওয়্যারটি ঠিক তখনই অটোমেটিকভাবে চালু হয়ে যায় যখন আপনি আপনার কম্পিউটারটি চালু করবেন। উইন্ডোজ এক্সপি এবং সেভেন এ Start Menu >> Startup নামক একটি ফোল্ডার দেখতে পাবেন। যা এক্সটার্নাল ভাবে আপনার সফটওয়্যারগুলো স্টার্ট করবে। এর মানে দাড়ায় এই ফোল্ডারে আপনি যদি কোন সফটওয়্যার এর শর্টকার্ট পেষ্ট করে রাখেন তাহলে কম্পিউটার চালুর সাথে সাথেই সফটওয়্যারটি চালু হবে। আবার অপর দিকে ওখানে যে সফটওয়্যারগুলোর শর্টকার্ট আছে সেগুলো ডিলিট করে দিলে সেই সফটওয়্যারগুলো আর চালু হবে না কম্পিউটার চালুর সাথে সাথে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো সেগুলো ছাড়াও কম্পিউটারের গভীরেও Startup নামক একটি ইন্টারনাল অপশন আছে যেখানে মুলত আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম এর সাথে সংযুক্ত সফটওয়্যারগুলো স্টার্ট হওয়ার জন্য আপনার কম্পিউটারের কাছে অনুমতি চাইবে। আর এখন আমি সেই বিষয়েই আলোকপাত করবো।

তবে সেখানে যাওয়ার আগে বলে রাখি সম্পূর্ণ কাজটি আপানি নিজ দায়িত্বে করবেন। এবার আসুন কম্পিউটারের একটু গভীরে প্রবেশ করা যাক।

প্রথমে Start মেনু থেকে Run অপশনটি চালু করুন। তারপর সেখানে msconfig টাইপ করে ইন্টার দিন। একটি বক্স চালু হবে। সেখান থেকে Startup ট্যাবে ক্লীক করুন। সেখানে নিচের ছবির মতো আপনার সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত সকল সফটওয়্যার-এর লিস্ট দেখাবে।


এবার আপনার যেগুলো অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার রয়েছে সেগুলোর পাশে অবস্থিত চেক বক্সে টিক চিহ্নগুলো উঠিয়ে দিন। তারপর Apply বাটনে ক্লীক করে OK বাটনে পুনরায় ক্লীক করে বেরিয়ে আসুন। তারপর আপনার কম্পিউটারটি Restart দিন। তারপর দেখুন ম্যাজিক কিছুক্ষন আগেই কম্পিউটার চালুর সাথে সাথে যেই প্রোগ্রামগুলো আপনাকে অনেক জ্বালাতন করছিলো এখন সেগুলো হয়ে গেছে একেবারে ঠান্ডা।