টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করার নিয়ম

আপনারা অনেকেই হয়ত Torrent এর সাথে পরিচিত আছেন । যারা Torrent সম্পর্কে জানেন না তাদের জন্য আমার আজকের এই পোষ্ট।

www.torrentz.com এমন একটি সাইট যেখানে সদ্য রিলিজ প্রাপ্ত বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, তামিল….. সিনেমার হল প্রিন্ট থেকে শুরু করে মাস্টার প্রিন্ট পর্যন্ত পাওয়া যায়। যদিও বাংলা সিনেমা পেতে একটু বেগ পেতে হয়। যাই হোক এবারে আসা যাক কাজের কথায়। আপনারা যারা টরেন্ট থেকে সিনেমা বা অন্য কিছু ডাউনলোড করতে চান তাদের প্রথমেই দরকার হবে টরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়্যার। নিচের ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন-

uTorrent Software

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে গেলে এবার www.torrentz.com সাইটটিতে প্রবেশ করুন। এবার আপনার কাঙ্খিত সিনেমার নাম দিয়ে সার্চ দিন। দেখবেন নিচের ছবির মত মূহূর্তের মধ্যে আপনার সামনে আপনার প্রিয় সিনেমা ডাউনলোডের অসংখ্য লিঙ্ক হাজির।


এতো লিঙ্ক ???
এবার প্রশ্ন এতো লিঙ্ক এর মধ্যে কোনটা ডাউনলোড করব ??
কিভাবে করব?
উত্তর খুব সহজ।
প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে কোন সিনেমার রেটিং ভালো। এক্ষেত্রে প্রথমেই আপনি ডান দিকে উপরে Date এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন কোন লিঙ্কটার Peer বেশি। তারপর দেখতে হবে ফাইল সাইজ। এখানে খেয়াল রাখবেন- 700 mb – 900 mb এর মধ্যে মোটামোটি ভালো HD/720p Movie পাওয়া যায়। এবার Recent date অনুযায়ী ভালো Peer সহ একটি লিঙ্ক এ ক্লিক করুন। এবার আপনি দেখা পাবেন নতুন একটি পেইজের যেখানে থাকবে ওই সিনেমার ডাউনলোড লিঙ্ক পাওয়া যাবে এমন আরো কয়েকটি সাইটের লিঙ্ক
এবারে ভালো সাইট বাছার পালা। উপরের ছবি লক্ষ করুন । হলুদ মার্ক করা সাইট গুলো থেকে আমি সবসময় ডাউনলোড করি। এগুলো মোটামোটি ভালো। এখন আপনি যেকোন একটি লিঙ্ক এ ক্লিক করুন। লিঙ্ক এ ক্লিক করার পর আপনি নতুন একটি পেইজ দেখতে পাবেন। এই পেইজে Torrent Download/Torrent File/Torrent Download Link এগুলো খুজে বের করুন এবং ক্লিক করুন।
এবার ছোট একটি ফাইল ডাউনলোড হবে। সেটা সেইভ করুন-

এবার এই ছোট ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোডার দিয়ে অন করুন।



ব্যস শুরু হয়ে গেলো আপনার ডাউনলোড। এখানে আপলোড স্পিড যদি কখনো 1-2kbps এর বেশী হয় তাহলে আপলোড স্পিডে ডাবল ক্লিক করে লিমিটেশন 1 করে দিন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এবার শুধু ফাইল ডাউনলোড শেষ হবার পালা।


টরেন্ট এর সুবিধা-
1. মোটামোটি সব কিছু সহজেই পাওয়া যায়।
2. ডাউনলোড কয়েকদিন বন্ধ থাকলে আবার যখন শুরু করবেন সেখান থেকেই শুরু হবে।







কিবোর্ডের ফাংশন-কী : F1 থেকে F12 পর্যন্ত !

বিসমিল্লাহীর রহমানীর রাহীম
কম্পিউটারে আমরা অনেকেই অনেক রকম কাজ করি। কিন্তু এর পরেও কম্পিউটারের হাতের কাছের অনেক কিছুই আমাদের অজানা রয়ে যায়। যার ফলে অনেক সহজ কাজও আমাদের করতে হয় নানান সব জটিলতার মধ্যে দিয়ে। অথচ আমরা যদি এই সব ছোট খাটো বিষয় সম্পর্কে একটু জানার চেষ্টা করি তখন হয়ত আমাদের কম্পিউটারে কাজ করার গতি আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই আমি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি কম্পিউটারের কিবোর্ডে অবস্থিত ফাংশন কী গুলোর কাজ। মূলত ফাংশন কী ব্যবহৃত হয় কম্পিউটারের ফাংশনগুলোতে অতি অল্প সময়ে কাজ করার জন্য। কিবোর্ডে এমনি F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই সবগুলো ফাংশন কী গুলোর কাজ ভিন্ন ভিন্ন। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই সব কী গুলোর কাজ।



  • F1 – এই কী টির কাজ হলো হেল্প মেনু চালু করা। অর্থাৎ আপনি যেই প্রোগ্রামেই থাকুন না কেন কিবোর্ড থেকে সরাসরি F1 চাপলেই সেই প্রোগ্রামে অবস্থিত HELP সেন্টার / গাইডটি আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে।
  • F2  – কোন ফোল্ডার Rename করার জন্য এই কী টি ব্যবহার করা হয়।
  • F3 – এই কী টি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, অফিস , ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি প্রোগ্রামে সার্চ করার অপশন চালু হবে।
  • F4 – দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসে সর্বশেষ কাজ/লাইনটি দ্রুত পেষ্ট করা যায়। একে last action performed Repeat বলা হয়ে থাকে। আর তাছাড়া Alt+F4 প্রেস করে প্রোগ্রাম দ্রুত বন্ধ করা যায়।
  • F5 – এই কী টি মূলত কম্পিউটারে Refresh করার কাজে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া এটি ইন্টারনেট ব্রাউজারে পেজ Reload করার কাজেও ব্যবহৃত হয়।
  • F6 – প্রেস করে ইন্টারনেট ব্রাউজারে কার্সারকে এড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া যায়।
  • F7 – এই কী টি ব্যবহার করে মাইক্রোসফট অফিসে গ্রামার কারেকশন করা যায়।
  • F8 – কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় এই কী টি প্রেস করে কম্পিউটারটিকে Safe Mode এ চালু করা যায়।
  • F9 – প্রেস করে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার চালু করা যায়।
  • F10 – প্রেস করে দ্রুত মেনুবার নির্বাচন করা যায়।
  • F11 – কী দ্বারা দ্রুত ফুল স্ক্রীন করা যায়।
  • F12 – দিয়ে Avro Keyboard এ ইংরেজি থেকে বাংলা লেআউটে কনভার্ট করা যায়।

৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে ছোট্ট একটি আমলে

চলার পথে আমরা অনেকেই জেনে না জেনে গুনাহ করে থাকি। কিন্তু আমরা চাইলেই আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ক্ষমা পার্থনা করে মাফ পেতে পারি। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিউল উম্মি ওয়ালা আলিহি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা’ জুমার দিন এই দরুদ শরিফখানা পাঠ করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর ৮০ বার এ দরুদ পড়বে, তার ৮০ বছরের গোনাহ্ মাফ হবে এবং ৮০ বছর এবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে। প্রশ্ন হয় যে, আল্লাহতায়ালা এ ছোট আমলের জন্য এত বেশি সওয়াব কেন দান করেন? এর উত্তর হলো, কোনো আমলে সওয়াব কম দেওয়া বা বেশি দেওয়া এটা আল্লাহতায়ালার নিজস্ব ব্যাপার, এখানে কারও আপত্তি করার কিছু নেই।

ফেছবুক থেকে ভিডিও ডাওনলোড করার সহজ উপায়।


১। যে ভিডিও টি ডাওনলোড দিবেন সেই ভিডিও টি প্লে করুন।


২। ভিডিও টি প্লে করার পরে ভিডিও লিংকটি কপি করুন।


৩। এবার একটি ট্যাব দিন


৪। এবার নিও ট্যাব দেখতে পাবেন।


৫। এইবার যে লিংক টা কপি করেছিলেন তা নিও ট্যাব এ পেস্ট করুন।


৬। এবার লিংক টা থেকে শুধু www কেটে m বসিয়ে ইন্টার প্রেস করুন।


৭। ইন্টার প্রেস করার পর যে পেজটি আসবে, সেই পেজ থেকে ভিডিও টিতে ক্লিক করুন।


৮। ভিডিও টিতে ক্লিক করার পর দেখবেন সেইভ করার জন্য বলবে,  save file এ টিক দিয়ে ok দিন, ব্যাস আপনার ভিডিও টি ডাওনলোড হয়ে যাবে।