সলাতুত তাসবীহের ফাযীলাত

সলাতুত তাসবীহের ফাযীলাত

হে আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই হাদীসটিতে এমন এক সলাতের কথা বলা হয়েছে যে সলাতটি আমাদের গোটা জীবনে একবার হলে ও পড়তে হবে। আসুন আমরা যারা না জানি, তারা সলাতের নিয়ম টা দেখে নেই।


(২৪৩) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মত্তালিব (রাঃ)-কে বললেনঃ হে ‘আব্বাস ! হে আমার চাচা ! আমি কি আপনাকে দান করবো না ? আমি কি আপনাকে উপঢৌকন দিবো না ? আমি কি আপনার দশটি মহৎ কাজ করে দিবো না ? সুতরাং যখন আপনি সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন তখন আল্লাহ আপনার প্রথম ও শেষ, অতীত ও বর্তমান, ইচ্ছা ও অনিচ্ছাকৃত, ছোট ও বড়, প্রকাশ্য ও গোপন সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন (সুবহানাল্লাহ)। সে দশটি মহৎ কর্ম হচ্ছে এইঃ আপনি চার রাক’আতের (সলাতে প্রত্যেকটিতে) কিরাআত পড়া থেকে অবসর হয়ে দণ্ডায়মান অবস্থায় বলবেন, “সুবহানাল্লাহ ওয়াল-হামদুলিল্লাহ ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” পনের বার, পরে রুকু করুন এবং রুকু অবস্থায় তা বলুন দশবার, আবার রুকু থেকে মাথা তুলে তা বলুন দশবার, পরে সাজদাহয় ঝুকে পড়ুন, সাজদাহ অবস্থায় তা বলুন দশবার, এবার সাজদাহ থেকে মাথা তুলে তা বলুন দশবার। আবার সাজদাহ করুন, সেখানে তা বলুন দশবার। অতঃপর সাজদাহ থেকে মাথা তুলে তা বলুন দশবার, এ নিয়মে প্রত্যেক রাক’আতে তাসবীহর সংখ্যা হবে পঁচাত্তর বার এবং তা করতে থাকুন পূর্ণ চার রাক’আতে (ফলে গোটা সলাতে তাসবীহর সংখ্যা তিনশো বার)। যদি আপনার সাধ্য থাকে তাহলে উক্ত সলাত পড়ুন দৈনিক একবার। যদি তা না হয়, তাহলে অন্তত সপ্তাহে একবার, যদি তা না হয়, তাহলে অন্তত মাসে একবার, আর যদি তাও না হয়, তাহলে বছরে একবার, আর যদি তাও না হয়, তাহলে অন্তত গোটা জীবনে একবার।

অফিসে যে কাজগুলো করবেন না...

অফিসে যে কাজগুলো করবেন না...

অনেকেই কর্মক্ষেত্রে দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করে। আর এ সময়টিতে আপনি সহকর্মীদের সঙ্গে যথাযথ সম্পর্ক গড়ে তুলবেন এবং বন্ধুবত্সল হবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এসব বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি বা অন্যকে বিরক্ত করার কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো এড়িয়ে চলাই উত্তম। এ লেখায় থাকছে অফিসে বর্জনীয় তেমন পাঁচটি কাজ।

জোরে কথাবার্তা বলা
কর্মক্ষেত্রে আপনার আশপাশে বসা মানুষদের বিরক্ত উদ্রেক হয়, এমনভাবে কথাবার্তা বলা উচিত নয়। টেলিফোনে কিংবা কারো সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা, যাই হোক না কেন, এজন্য গলার স্বর নামিয়ে কথা বলাই উত্তম। অন্যথায় আপনি অন্যদের কাজে বিরক্ত করবেন বলে বাজে কলিগ হিসেবে চিহ্নিত হবেন।


‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ খুঁজে বেড়ানো
অফিসের কর্মীদের মাঝ থেকে সারাক্ষণ আপনার যে বেস্ট ফ্রেন্ড বের করে নিতে হবে এমন ধারণা ভুল। অফিসে সবার সঙ্গেই সম্পর্ক থাকবে। কিন্তু কারো সঙ্গে বাড়তি বন্ধুত্ব মোটেই অন্যরা ভালো চোখে দেখবে না। এ ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অফিসের বাইরে গিয়ে করাই ভালো।

বসের ‘পোষা প্রাণী’ হওয়া
বসের অনুগত থেকে সব কাজ করার মাঝে দোষের কিছু নেই। কিন্তু কাজের বাইরেও যদি এ সম্পর্ক গড়ায় তাহলে তা অন্যদের বিব্রত করতে পারে। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা মোটেই উচিত নয়।

অন্যের কম্পিউটারে উঁকি দেওয়া
কাজ করার সময় অন্যের কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে তার কাজ সম্পর্কে বা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় জানতে অনেকেই আগ্রহী হন অনেকেই। এই ধরনের প্রবণতা একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

বেতন নিয়ে আলোচনা
কর্মক্ষেত্রে কাজের দায়িত্ব কিংবা জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ধরনের বেতন পাবেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে এ বিষয় নিয়ে নিজেদের মাঝে আলোচনা করা উচিত নয়। অন্য কাউকে তার বেতন জিজ্ঞাসা করা, নিজের বেতন নিয়ে আলোচনা করা বা নিজের সঙ্গে তুলনা করা ইত্যাদিতে কমবেশি সবাই বিব্রত হয়।